Mahe Ramadanসকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ এবং তাঁর বংশধর ও সকল সাহাবীদের প্রতি দরুদ ও সালাম। রোজা ইসলামের অন্যতম ফরজ বিধান। এর পালনে কিছু বিধি-বিধান রয়েছে। অনেক সময় প্রয়োজনীয় বিধানগুলো জানা না থাকার কারণে সারাদিন উপোস থাকার পরও রোজা হয় না। প্রত্যেক রোজাদারের জন্য রোজার প্রয়োজনীয় মাসয়ালাগুলো জেনে নেয়া উচিত।
যেমন নবী সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর স্থাপিত: (১) সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন মাবুদ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল (২) রীতি মতো নামাজ আদায় করা (৩) যাকাত দেয়া (৪) রমযানের রোযা পালন করা (৫) বায়তুল্লাহয় হজ করা। (বুখারী ও মুসলিম)

সিয়াম পালনের ক্ষেত্রে মানুষের শ্রেণিভেদ
সিয়াম প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স, বিবেক সম্পন্ন, সামর্থ্যবান ও নিজ বাসস্থানে অবস্থানকারী মুসলিম ব্যক্তির ওপর ফরয। যেসব লোকের প্রতি সিয়াম ফরয নয় :
১. কাফের: ইসলাম গ্রহণের পূর্বে কাফেরের ওপর সিয়াম ফরয নয় এবং তার জন্য ইসলাম গ্রহণের পর কাযা করাও জরুরি নয়। ২- অপ্রাপ্ত বয়স : অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে- মেয়ের ওপর সিয়াম ফরজ নয়। কিন্তু অভ্যাস গড়ার জন্য রোজা পালনের আদেশ করা যাবে। ৩. পাগল : প্রাপ্ত বয়স্ক পাগলের ওপর সিয়াম ফরজ নয় এবং তার জন্য রোজা করিয়ে নেয়ারও প্রয়োজন নেই, অনুরূপ বিধান যার জ্ঞান লোপ পেয়েছে এবং যার অতি মাত্রায় মতিভ্রম হওয়ার কারণে ভাল-মন্দ তারতম্য করতে পারে না। ৪. অপারগ : স্থায়ী সামর্থ্যহীন যেমন অতিশয় বৃদ্ধ বা এমন রোগে আক্রান্ত যার আরোগ্য লাভের আর আশা নেই, এরূপ ব্যক্তির প্রতি সিয়াম ফরয নয়।
তবে রমজানের প্রত্যেক দিনের জন্য একজন মিসকিনকে খাবার দিতে হবে। ৫. অসুস্থ : অস্থায়ীভাবে রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির পক্ষে রোজা রাখা কঠিন হলে সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত রোজা রাখবে না, কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর কাযা করবে। ৬. গর্ভবতী বা দুধ পান করায় এমন মহিলা : গর্ভ-ধারণ বা দুধপান করানোর কারণে যদি তাদের প্রতি রোজা রাখা কঠিন হয় বা স্বীয় সন্তানের অনিষ্টের আশঙ্কা করে তবে রোজা না রেখে যখন আশঙ্কা মুক্ত হবে তখন সুবিধা মতো সময়ে কাযা করে নিবে। ৭. মাসিক ঋতু স্রাব অথবা সন্তান প্রসব জনিত স্রাব হলে উক্ত অবস্থায় রোজা না রেখে, তা দূর হলে পরে কাযা করে নেবে। ৮. নিরুপায় : এমন ব্যক্তি যে রোজা ছেড়ে দিতে বাধ্য, যেমন কোন ছোট বাচ্চা পানিতে ডুবে গেছে অথবা আগুনে পুড়ে যাচ্ছে তাকে মুক্ত করার জন্য রোজা ছেড়ে দিতে হলে দেবে কিন্তু পরবর্তীতে কাযা করে নেবে। ৯. মুসাফির : মুসাফিরের জন্য সফরে রোজা রাখা, না রাখার স্বাধীনতা রয়েছে, তবে যদি না রাখে পরে কাযা করে নেবে। উল্লেখ্য, মুসাফির ইচ্ছা করলে যতদিন সফরে থাকবে, (সে সফর স্বল্পস্থায়ী হোক বা স্থায়ী) ততদিন রোজা ছাড়তে পারবে।

রোযা ভঙের কারণ:
রোযাদার যদি ভুলক্রমে বা না জেনে বা বাধ্য হয়ে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে রোজা নষ্ট হবে না, আল্লাহ বলেন:
হে আমাদের প্রতিপালক! যদি আমরা ভুল করে অথবা অজ্ঞাতসারে দোষে লিপ্ত হই তবে আমাদেরকে পাকড়াও কর না। (সূরা আল-বাকারা : ২৮৬)
আল্লাহ তাআলা বলেন : তবে তার জন্য মহা শাস্তি নয় যাকে কুফরী করতে বাধ্য করা হয়েছে কিন্তু তার অন্তর ঈমানে অবিচল। [সূরা আনু নাহাল : ১০]
আল্লাহ তাআলা বলেন : যা তোমরা অজ্ঞাতসারে ভুল করেছ তাতে তোমাদের কোন অপরাধ নেই কিন্তু তা তোমাদের সংকল্প থাকলে অপরাধ হবে। [সূরা আল-আহ্যাব : ৫]
* অতএব, রোজাদার যদি ভুলবশত: পানাহার করে তবে ভুলের কারণে তার রোজা নষ্ট হবে না। * আর কেউ যদি সূর্য ডুবে গেছে অথবা ফজর এখনও হয়নি এরূপ মনে করে পানাহার করে তবে তার অজ্ঞতার কারণে রোজা নষ্ট হবে। * যদি কুলি করা অবস্থায় অনিচ্ছা সত্ত্বেও গলায় পানি চলে যায় তবে রোজা নষ্ট হবে না। * স্বপ্নদোষ হলেও এতে তার কোন ইচ্ছা না থাকায় রোজা ভঙ্গ হবে না।

রোজা ভঙের কারণ ৮টি:
স্ত্রী সহবাস : রোজাদার যদি রমাযানের দিনে স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হয় তবে সে রোজা কাযা আদায়সহ জটিল কাফ্ফারা আদায় করতে হবে। আর তা হলো : একটি গোলাম আজাদ করা, যদি সামর্থ্য না থাকে তবে ধারাবাহিক দুই মাস (মাঝে বিরতি ছাড়া) রোজা রাখতে হবে আর যদি তার সামর্থ্য না থাকে তবে ৬০ জন মিসকীনকে খাওয়াতে হবে।
বীর্যপাত : জাগ্রতাবস্থায় হস্ত মৈথুন, স্ত্রীর সাথে মেলামেশা করা, চুমো দেয়া, স্পর্শ করা অথবা অন্য কোন কারণে বীর্যপাত হলে রোজা বিনষ্ট হয়ে যাবে।
পানাহার : উপকারী বা ক্ষতিকারক ( যেমন ধূমপান) কোন কিছু পানাহারে রোজা ভেঙে যায়।
ইনজেকশন যোগে খাদ্যের সম্পূরক খাদ্য জাতীয় কোন কিছু প্রয়োগ করলে। কিন্তু তা যদি খাদ্যের সম্পূরক না হয় তবে শরীরের যেখানেই প্রয়োগ করা হোক যদিও তার স্বাদ গলায় অনুভূত হয় রোজা নষ্ট হবে না।
ইনজেকশন যোগে রক্ত প্রয়োগ : যেমন রোজাদারের যদি রক্ত শূন্যতা দেখা দেয় আর তার ফলে ইন্জেকশন প্রয়োগে রক্ত প্রবেশ করান হয় তবে রোজা নষ্ট হয়ে যাবে।
মাসিক ঋতু স্রাব ও সন্তান প্রসব জনিত স্রাব।
শিংগা বা এ জাতীয় কিছু লাগিয়ে রক্ত বের করা, তবে যদি রক্ত স্বাভাবিকভাবে যেমন নাক থেকে রক্তক্ষরণ বা দাঁত উঠানোর ফলে বা এ ধরনের অন্য কারণে বের হয় তবে রোযা বিনষ্ট হবে না।
৮- বমি করলে : ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে রোজা নষ্ট হবে কিন্তু অনিচ্ছায় বমি করলে রোজা নষ্ট হবে না।

যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়
১. বিনা প্রয়োজনে কোনো কিছু চিবালে। ২. তরকারির লবণ টেস্ট করে ফেলে দিলে। ৩. মাজন, কয়লা, গুল বা পেস্ট দিয়ে দাঁত মাজলে। (তবে সামান্য ভেতরে গেলেও রোজা ভেঙে যাবে) ৪. রাতে ফরজ হওয়া গোসলসহ সারাদিন অতিবাহিত করলে। ৫. রোজা অবস্থায় রক্তদান করলে। ৬. পরনিন্দা, কুৎসা, অনর্থক কথা ও মিথ্যা বললে। ৭. ঝগড়া, ফাসাদ ও গালমন্দ করলে। ৮. ক্ষুধা ও পিপাসার কারণে অস্থিরতা প্রকাশ করলে। ৯. মুখে থুথু জমা করে গিলে ফেললে। ১০. স্ত্রীকে কামভাবের সঙ্গে স্পর্শ করলে। ১১. মুখে কিছু চিবিয়ে শিশুকে খাওয়ালে। ১২. লিপস্টিক লাগালে (যদি তা ভেতরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।) ১৩. বুটের কণার চেয়ে ছোট কিছু দাঁতের ফাঁক থেকে বের করে গিলে ফেললে।

যেসব কারণে রোজা ভাঙে না
১. ভুলে কিছু খেলে বা পান করলে। ২. অনিচ্ছাকৃত বমি করলে। ৩. রোজা অবস্থায় স্বপ্নদোষ হলে। ৪. অসুস্থতাজনিত কারণে বীর্যপাত হলে। ৫. স্বামী-স্ত্রী চুম্বন ও আলিঙ্গন করলে।

সেহেরি খাওয়া সুন্নত
রোজার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যতম আমল সেহেরি। রোজার নিয়তে সেহেরি খাওয়া সুন্নত। রাসুল সা. বলেছেন, “সেহেরি খাও, তাতে বরকত আছে।’’ সেহেরি পেট ভরে খাওয়া জরুরি নয়। সামান্য খেলেও সেহেরির সুন্নত আদায় হয়ে যাবে। শেষ সময়ে সেহেরি খাওয়া মুস্তাহাব। তবে লক্ষ রাখতে হবে, সময় যেন পার না হয়ে যায়। ইহুদি-খৃস্টানদের রোজায় সেহেরির বিধান ছিল না। ইসলামের প্রথম যুগেও সেহেরি ছাড়াই রোজা রাখা হতো। পরবর্তী সময়ে রাসুল সা. সেহেরি খাওয়ার বিধান নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘আমাদের রোজা ও আহলে কিতাবদের (ইহুদি-খৃস্টান) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সেহেরি খাওয়া।’’
সেহেরি সুবহে সাদিকের আগেই খেতে হয়। এরপর কিছু খেলে রোজা হবে না। অনেকে মনে করেন, ফজরের আজান পর্যন্ত সেহেরির সময় থাকে। এটা ঠিক নয়। কেউ যদি সেহেরির সময় আছে মনে করে খেয়ে ফেলে আর বাস্তবে সময় না থাকে তাহলে তাকে রোজা কাজা করতে হবে। সেহেরির সময়টি আল্লাহর রহমত ও বরকত লাভের বিশেষ সময়। এ সময়ের ইবাদত-বন্দেগি আল্লাহর কাছে কবুল হয় বেশি। সম্ভব হলে সেহেরির সময় কয়েক রাকাত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করে নেয়ার কথা হাদিসে আছে। সেহেরি খাওয়ার আগে-পরে সময়টুকু ইবাদতে কাটানো উচিত।
ইফতার: রোজদারের পুরস্কার
সারাদিন উপোস থাকার পর ইফতার আনন্দের একটি মুহূর্ত। ইফতারের মাধ্যমে রোজার পূর্ণতা আসে। এ সময়টি আল্লাহ মুমিনের পুরস্কারের জন্য নির্ধারণ করেছেন। নানা ধরনের খাবার সামনে পড়ে থাকা সত্ত্বেও আল্লাহর বিধান না থাকায় খাচ্ছে না-এটা আল্লাহর কাছে খুবই পছন্দের।
রাসুল সা. বলেছেন, রোজাদারের খুশির মুহূর্ত দুটি :
এক. ইফতারের মুহূর্ত,
দুই. তাকে যেদিন জান্নাতে স্বাগত জানানো হবে।
বান্দা যখন ইফতার সামনে নিয়ে বসে থাকে, আল্লাহ তখন ফেরেশতাদের কাছে গর্ব করেন। ইফতারের সময় দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার বিশেষ সম্ভাবনা থাকে। ইফতারের কোনো দোয়া বৃথা যায় না। হাদিসে আছে, রাসুল সা. বলেছেন, ‘‘আল্লাহ তায়ালা রমজান মাসে প্রতিদিন ইফতারের সময় দশ লাখ লোককে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন।’’
ইফতারের সময় এ দোয়াটি পড়ার কথা হাদিসে আছে : ‘আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।’ ‘হে আল্লাহ! আমি তোমার জন্যই রোজা রেখেছিলাম এবং তোমার রিজিক দ্বারাই ইফতার করলাম।’
রোজাদারকে ইফতার করানোর মধ্যেও বিশেষ সওয়াব রয়েছে। রাসুল সা. বলেছেন, ‘‘যিনি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবেন, তা তার অপরাধ ক্ষমা এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ হবে। তিনি রোজাদারের সমান সওয়াব পাবেন।’’ তবে রোজাদারের সওয়াব থেকে সামান্যও কমানো হবে না। সামান্য খেজুর বা পানি দিয়ে ইফতার করালেও পুরো সওয়াব পেয়ে যাবে।
সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করে নেয়া সুন্নত। অযথা ইফতারে দেরি করতে নেই। তবে সূর্যাস্থের বিষয়টি অবশ্যই নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে। কেউ যদি সময় হয়ে গেছে মনে করে সময়ের আগেই খেয়ে ফেলে তার রোজা ভেঙে যাবে। তাকে এ রোজার কাজা করতে হবে।
ইফতারের মুহূর্তে অযথা গল্প-গুজবে লিপ্ত না হওয়াই ভালো। এ সময় মনে মনে জিকির ও তওবা করা উচিত। অনেকে এক সঙ্গে ইফতার করলে সম্মিলিতভাবে দোয়াও করা যেতে পারে।

রোযার কতিপয় প্রয়োজনীয় মাসয়ালা:
১. অপবিত্র অবস্থায় রোজার নিয়ত করা জায়েয তবে ফজর হলে গোসল করবে। ২. কোন মহিলা যদি রমাযানে ফজরের পূর্বে মাসিক ঋতু-স্রাব বা সন্তান প্রসব জনিত স্রাব হতে পবিত্র হয় তবে সে ফজরের পূর্বে গোসল না করলেও তার প্রতি রোজা রাখা ফরয। তারপর ফজরে গোসল করে নিবে। ৩. রোযা অবস্থায় দাঁত উঠানো, জখমে ঔষধ লাগানো চোখে বা কানে ঔষধের ফোটা নিক্ষেপ জায়েয, যদিও চোখে বা কানে ফোঁটা প্রয়োগের ফলে গলায় ওষুধের স্বাদ অনুভূত হয়। ৪. রোজা অবস্থায় দিনের প্রথমভাগে ও শেষ ভাগে মিসওয়াক করা জায়েয বরং অন্যের মত তার জন্যেও এ অবস্থায় সুন্নাত। ৫. রোজাদার গরম ও পিপাসার তীব্রতা কমানোর জন্য পানি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ বা অন্য কিছুর মাধ্যমে ঠা-া গ্রহণ করা বৈধ। ৬. প্রেসার বা অন্য কোন কারণে শ্বাস কষ্ট হলে রোজা অবস্থায় মুখে স্প্রে করা জায়েয। ৭. রোযাদারের ঠোঁট শুকিয়ে গেলে পানি দ্বারা ভিজান এবং মুখ শুকিয়ে গেলে গড় গড়া করা ছাড়া কুলি করা বৈধ। ৮. ফজরের সামান্য পূর্বে অর্থাৎ দেরি করে সেহরী খাওয়া এবং সূর্যাস্তের পর তাড়াতাড়ি ইফ্তার করা সুন্নাত।
রোযাদার ইফ্তারের জন্য খেজুর, শুকনা খেজুর, পানি, যে কোন হালাল খাবার যথাক্রমে প্রথম থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণ করবে। আর যদি ইফ্তারের জন্য কিছুই না পাওয়া যায়, তবে কোন খাবার পাওয়ার পূর্ব পর্যন্ত মনে মনে ইফ্তারের নিয়ত করে নিবে। ৯. রোযাদারের উচিত সৎকর্ম বেশি বেশি করা এবং সকল নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত থাকা। ১০. রোযাদারের ফরয কাজ সমূহ নিয়মিত আঞ্জাম দেয়া এবং সকল হারাম থেকে দুরে থাকা একান্ত কর্তব্য; অতএব, পাঁচ ওয়াক্ত নামায সময় মত এবং যদি সে জামায়াতে নামায আদায়ের ওযর বিহীন লোক হয় তবে জামায়াতের সাথে আদায় করবে এবং মিথ্যা কথা, পরনিন্দা, ধোঁকাবাজি, সুদী লেন-দেন করা ও সকল হারাম কথা ও কাজ থেকে বিরত থাকবে।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা, অনুরূপ আচরণ ও জাহেলিয়াত বর্জন না করে, তবে তার পানাহার বর্জনের আল্লাহর কোনই প্রয়োজন নেই। (বুখারী)
সকল প্রশংসা জগৎসমূহের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য এবং আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর বংশধর ও তাঁর সকল সাহাবীর প্রতি সালাম বর্ষিত হোক। আমীন!

Advertisements