আসছে কৃত্রিম জরায়ু (‘একটোজেনেসিস’ ) এবং পক্ষে-বিপক্ষে বিতর্ক


Krittim Gorvashoyগবেষকেরা আশা করছেন মায়ের পেটে নয়, আগামী তিন দশকের মধ্যেই কৃত্রিম উপায়ে শরীরের বাইরেই মানবশিশুর জন্ম-প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ট্রান্সহিউম্যান প্রযুক্তির যেসব জিনিস আসছে সামনে তার একটি মানুষকে হয়তো মুগ্ধ করবে বা হয়তো দ্বিধায় ফেল দেবে। এর নাম একটোজেনেসিস—এটি মানবদেহের বাইরে কৃত্রিম জরায়ুতে ভ্রুণ রেখে তা আস্তে আস্তে বড় করবে। সন্তানের জন্যে মানুষের যে সব অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাতে মৌলিক বদল ঘটাতে যাচ্ছে একটোজেনেসিস। নারী-শরীরের ব্যাপারে সাধারণ দৃষ্টিভঙ্গি  এবং পুনরুৎপাদনের অধিকার সম্পর্কে আমাদের ধারণা বদলে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে এই একটোজেনেসিসের। এটি তাই সামাজিক এবং রাজনৈতিক বিতর্কের উৎস।
Ekatojenesisa‘একটোজেনেসিস’ নামের এই পদ্ধতি ২০৩৪ সাল নাগাদ প্রস্তুত হবে বলেই ধারণা করছেন গবেষকেরা। এর পরের দশকেই এটি মানুষের কাছে সহজলভ্য হবে। ২০০১ সাল থেকেই এ প্রযুক্তিটি নিয়ে গবেষণা চলছে। ইঁদুরের গর্ভের সঙ্গে প্লাসেন্টা মেশিন যুক্ত করে এক্টোজেনেসিস করা হয়। গবেষকরা মনে করছেন এর ফলে যেহেতু সন্তানের মনিটরিং করা অনেক সহজ হবে, মৃত শিশু প্রসবের প্রবণতাও অনেক কমবে। তবে সমালোচকরা বলেছেন এর ফলে মায়ের সঙ্গে সন্তানের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে। প্রাণী শরীরের বাইরে ভ্রুণের বেড়ে ওঠার পদ্ধতির নাম এক্টোজেনেসিস। মানুষ, অন্যান্য প্রাণী, এমনকী ব্যাকটেরিয়ার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য এই পদ্ধতি।
কৃত্রিম গর্ভে প্রয়োজন কৃত্রিম জরায়ু, অক্সিজেন ও ভ্রুণের বেড়ে ওঠার প্রয়োজনীয় পুষ্টি। বর্জ্য পদার্থ বের করতে অ্যামনিওটিক ফ্লুইড স্যাকেরও প্রয়োজন। এই পুরোটাই যুক্ত থাকবে প্লাসেন্টা মেশিনের সঙ্গে। যেখানে কেবলের মাধ্যমে মনিটর যুক্ত করে হার্ট রেট থেকে ভ্রুণের বৃদ্ধি সবকটি ধাপই মনিটর করা হবে। যদি কোনও কারণে কোনও মহিলার জরায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে বা অন্য কারণে তিনি স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান ধারণ করতে অক্ষম হন, তবে এই পদ্ধতিতে সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন তিন।
একটোজেনেসিস শব্দটি ১৯২৪ সালে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জেবিএস হ্যাল্ডেন উদ্ভাবন করেছিলেন। তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন ২০৭৪ সালের মধ্যে মাত্র ৩০ শতাংশ জন্ম মানুষ নিজে দিবে। তার উপলব্ধির থেকেও দ্রুত বিজ্ঞান এগিয়েছে। এবং সম্ভবত তার ধারণা বেশ রক্ষণশীল ছিল। আমার মত কোনো কোনো ভবিষ্যৎবাদীর ধারণা, ২০ বছরের মধ্যে একটোজেনেসিস শুরু হবে এবং ৩০ বছরের মধ্যে সারা পৃথিবী জুড়ে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে।
এটা নিতান্ত কাল্পনিক কোনো ধারণা না। প্রথমত চিকিৎসা প্রযুক্তির উন্নয়নে বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে কাজ করছেন।  সম্প্রতি একটি অলাভজনক দৈনিক যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং ন্যায়বিচার ইস্যুতে এ সংক্রান্ত খবর এবং বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। সাংবাদিক সোরায়া চেমালি একটোজেনেসিস ক্ষেত্রের দুই গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানী এবং তাদের গবেষণা নিয়ে লিখেছেন।
এই লেখায় দুটি সফল প্রচেষ্টার কথা এসেছে।  সময়ের আগে জন্ম নেওয়া শিশুদের বাঁচাতে জান্টেন্ডো বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানি অধ্যাপক ড. ইয়োশিনরি কুয়াবারা অ্যামনিওটিক ফ্লুইড রাখা ট্যাঙ্ক আছে এমন একটি মেশিনে সফলভাবে ছাগলের ভ্রূণ স্থাপন করেছেন।
আর যেসব নারী সন্তান ধারণে অক্ষম এবং জরায়ুতে যাদের ভ্রূণ বাড়ে না তাদের জন্যে কাজ করছেন ড. হেলেন হাং-চিং লিউ। তিনি কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রজনন ঔষধ ও অনুর্বরতা কেন্দ্রের পরিচালক। ২০০৩ সালে তিনি এবং তার দল ইঁদুরের ভ্রূণ বড় করার চেষ্টায় প্রায় পুরোপুরি সফল হন। এই প্রক্রিয়াতে তারা বায়ো-প্রকৌশল প্রয়োগ করা এক্সট্রা জরায়ুতে ইনিজিনিয়ারিং করা অ্যান্ডোমেট্রিয়াম টিস্যু যোগ করেছিলেন।
আরো সাম্প্রতিক কালে, ড. হেলেন হাং-চিং লিউ ১০ দিন ধরে একটি মানব ভ্রূণের বৃদ্ধি ঘটিয়েছেন কৃত্রিম জরায়ুতে। তার কাজের আইনগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এই আইন অনুযায়ী এই ধরনের গবেষণা কাজের জন্য তিনি ১৪ দিন সময় পান। এটা জটিল হলেও তার লক্ষ্য বহিস্থ জরায়ুকে কাজ করানো।
একটোজেনেসিস প্রযুক্তি আপাতভাবে দেখতে সহজ হলেও খুব জটিল একটি প্রক্রিয়া। মূলত অ্যামনিওটিক তরলে ভর্তি একটি অ্যাকুরিয়ামে একটি বাড়তে থাকা জীবন্ত ভ্রূণের সাথে কিছু ফিডিং টিউব এবং পর্যবেক্ষণ করার তার লাগানো থাকে। এই টিউবগুলির মাধ্যমে সেই ভ্রূণে অক্সিজেন, পুষ্টি ইত্যাদি সরবরাহ করা হয়। আর তারগুলি ট্যাঙ্কের ভিতরের সবকিছু পর্যবেক্ষণ করে। সবকিছু মিলে একটা ম্যাট্রিক্স ধরনের অনুভূতি তৈরি হয়।
যদিও কৃত্রিম মানব ভ্রূণ বৃদ্ধির প্রযুক্তি এর মধ্যেই হস্তগত তবু  ঠিক ভাবে ভ্রূণ বৃদ্ধির পরীক্ষা-নীররিক্ষায় কম পক্ষে আরো একটা দশক লেগে যাবে। এই দেরির বড় কারণ বিতর্কিত এই ধারণা বিষয়ে নৈতিক বাধা ও অস্পষ্ট আইন।
মানবদেহ ছাড়াই প্রজাতির এই বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে অনেক দূরের ব্যাপার মনে হয়। এমনকি এটা যদি সত্যিই ঘটে, প্রশ্ন আসে যে মানুষ এটা ব্যবহার করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করবে কিনা। আমি বলব যে হ্যাঁ। এর কারণ খুব স্পষ্ট—যন্ত্রণা, পরিশ্রম, সময়ক্ষেপণ এগুলির পাশাপাশি সন্তান জন্ম দেওয়া মায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণও।
একটোজেনেসিসের মানে দাঁড়াচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে সন্তান জন্মদানের দায়িত্ব আর নারীদের বইতে হবে না। অথবা নয় মাস পেটে বাচ্চা বহন করার সময় এরকম বিরক্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখিও হতে হবে না যে, আমি যে পানি পান করি তা কি আমার সন্তানের মস্তিষ্কের বৃদ্ধিতে খারাপ প্রভাব ফেলছে? আমাকে যে ফ্লু ভাইরাস আক্রান্ত করেছে তা কি আমার সন্তানের শরীর নষ্ট করে ফেলবে? গতরাতে আমি যে অর্ধেক গ্লাস মদ খেয়েছি তা কি আমার সন্তানের আইকিউ কমিয়ে দেবে?
বরং বেশি গুরুত্বের দিক জন্ম নেওয়া শিশুর স্বাস্থ্য। প্রাকৃতিকভাবে জন্মদানে ঝুঁকি অনেক বেশি। একটোজেনেসিস তার নিরাপদ বিকল্প হতে পারে। এই প্রক্রিয়াতে ভ্রূণের প্রতিটি হার্টবিট, পা নাড়ানো, প্রতিটি মুহূর্ত যত্নের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয়। একেবারে জাইগোট অবস্থা থেকে শিশুর প্রথম শ্বাস গ্রহণ পর্যন্ত। শিশু যে পুষ্টি পায় তা মাপা হয়, প্রতিটি মুহূর্তের ভিডিও হয়, সঠিক টাইমিং এর জন্য প্রতিটি হার্টবিট বিশ্লেষণ করা হয় এই প্রক্রিয়ায়।
নতুন প্রযুক্তির সাথে সাথে প্রথাগত সামাজিক এবং জৈবিক রীতিনীতিগুলিকে নিরাপত্তা, দক্ষতা, ব্যবহারিকতা ইত্যাদির সাথে অনুশীলন করার সম্ভাবনা তৈরি হয়। একটোজেনেসিস যতটা এক মাত্রিক ব্যাপার মনে হয়, এটি আসলে তা নয়। এর সাথে দার্শনিক এবং রাজনৈতিক বিষয়গুলিও যুক্ত।
যে দার্শনিক বিষয়টি সবার আগে আসে তা হলো, সমাজ নারীদেরকে যেভাবে দেখে আসছে একটোজেনেসিস তা বদলে দিতে পারে। যা নারীর ব্যাপার তা যদি কৃত্রিম প্রক্রিয়া দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয় তবে কি নারী তার আসল বৈশিষ্ট্য হারাবে? আমার উত্তর হলো—না। বরং একটোজেনেসিস নারীদের গৃহবন্দি অবস্থার মুক্তি দেবে এবং তাদের সন্তান নেওয়ার বয়সের দৈর্ঘ্য বাড়াবে।
তবে কিছু নারীবাদী একটোজেনেসিসকে দেখছেন সংশয়বাদী দৃষ্টি দিয়ে। তারা বলছেন, এটা নারীদের জন্মদানের পবিত্র ক্ষমতার উপর বিজ্ঞনের হস্তক্ষেপ। ফেমিনিস্ট পার্সপেক্টিভ ইন মেডিক্যাল এথিকস বইয়ের একটি লেখায় সাউদার্ন মেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের প্রধান এবং দর্শনের অধ্যাপক জুলিয়েন এস. মারফি লিখেছেন, একটোজেনেসিস নারীবাদীদের মধ্যে মতবিরোধ বাড়িয়ে দিয়েছে।
রাজনৈতিক দিকটিও জটিল। বর্তমানে ওয়াশিংটনের সবচেয়ে বিভেদ সৃষ্টিকারী এবং আলোচনা ওঠানো বিষয়ের একটা এই পুনরুৎপাদন অধিকার এবং জন্মদান। রক্ষণশীল সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির এবং ধর্মীয় গোষ্ঠির মানুষজন সম্ভবত এই প্রযুক্তির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ করবে। এর ফলে ঐতিহ্যবাহী সমাজের মধ্যে যে মিথোজীবি বন্ধন আছে তা নষ্ট হতে পারে।
অনেকে বলছেন, কৃত্রিম জরায়ুতে ভ্রূণ বাড়লে তা মায়ের শরীরের সরাসরি সান্নিধ্য পাবে না। সাংবাদিক এবং অধ্যাপক জন ন্যাসিভেরা আমেরিকা, দি ন্যাশনাল ক্যাথলিক রিভিউতে লিখেছেন, আমি বলতে পারি এই সান্নিধ্য থেকে বঞ্চিত করা একটি মারাত্মক বিষয়।
এই অবস্থায় একটোজেনেসিসের পক্ষের মতামত হচ্ছে কৃত্রিম জরায়ু মা এবং ভ্রূণ দুজনের জীবনকেই নিরাপদ ও সহজ করে তুলবে, যেসব নারী জরায়ু বা জননেন্দ্রিয়ের সমস্যার কারণে সন্তান ধারণ করতে পারছেন না তারা যে সুবিধা পাবেন সে কথা না হয় না-ই বলা হল। কয়েকজন বায়োএথিসিস্ট বা জৈব-নীতিবিশেষজ্ঞরা বলেছেন একটোজেনেসিস সমকামী দম্পতি এবং সিঙ্গেল মানুষকে তাদের সন্তানের ভ্রূনের বৃদ্ধি ঘটানোর জন্য সারোগেট মাদার ব্যবহার করা থেকেও মুক্তি দিবে।
ভবিষ্যতে কী হবে তা বাদ দিয়েই বলা যায়, আমাদের প্রযুক্তি-প্রিয় প্রজাতি নিজেদের কীভাবে দেখে এবং আমাদের সন্তানেরা কীভাবে জীবনে প্রবেশ করবে তার একটি রাস্তা প্রদানের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ ট্রান্সহিউম্যানের একটি আলোচিত টপিক এই একটোজেনেসিস।

Advertisements

সড়কের কাজ শেষ হয়নি, বিল পাওয়া সারা


shorok (bill)একটি সড়কের মেরামত কাজ শেষ না হলেও ঠিকদারের বিল অনুমোদন করেছে পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ। ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে বরিশাল (দিনারেরপুল) লক্ষ্মীপাশা-দুমকী সড়কের এইচ বিবি ২৯ কিলোমিটার থেকে ৩০ কিলোমিটার অংশে ১ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়নে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল।
Read More »

লাইসেন্স চায় ডেসটিনি


Destiny-2000বহু ধাপের বিপণন (এমএলএম) পদ্ধতিতে ব্যবসা করার জন্য সরকারের কাছে লাইসেন্সের দাবি জানিয়েছে ডেসটিনি। আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের কিছু পরিবেশক এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ডেসটিনির পরিবেশক শারমিন আক্তার স্বর্ণা।Read More »

বিমান থেকে তেলের ট্যাংক মাটিতে


biman (teler tank) narsingdiনরসিংদীতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমানের দুটি অতিরিক্ত অয়েল ট্যাংকার মাটিতে খসে পড়েছে। সোমবার বেলা ১১টায় রায়পুরা উপজেলার ডৌকারচর ইউনিয়নের পিবিনগর ও কাসিমনগর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
Read More »

পতন হতে পারে নেতানিয়াহুর


benjamin netanyahuইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারে সংকট বাড়ছে। ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির বেশ কয়েকজন সদস্য অর্থমন্ত্রী ইয়ার ল্যাপিডের নেতৃত্বাধীন ইয়েস আতিদ পার্টির সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করার আহ্বান জানিয়েছেন। এতে সরকারের পতন পর্যন্ত হতে পারে।
Read More »

৩০০০ বছরের তরবারি উদ্ধার


Steel_swordনদীর তীরে খেলছিল ১১ বছরের চীনা বালক ইয়াং জুনশি। একপর্যায়ে নদীতে হাত ধুতে যায় সে। এ সময় শক্ত কিছুতে হাত লাগে তার। কৌতূহলী হয়ে সে ওটা তুলে আনে। সেটা ক্ষয় ধরা অনেক পুরোনো এক জিনিস। তবে যে সে জিনিস নয়। প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো এক তরবারি।
Read More »

ফেদেরারকেও ছাড়িয়ে গেলেন সেরেনা


serena-18tদুজনই প্রায় সমবয়সী। রজার ফেদেরারের ৩৩ চলছে, সেরেনা উইলিয়ামসের ৩২। কিন্তু মেয়েদের টেনিসে তো কুড়িতেই বুড়ি। সেখানে সেরেনা যেন ওয়াইনের মতো। এই বয়সেও খেলছেন দাপটের সঙ্গে। শুধু তা-ই নয়, কাল জিতে নিলেন ক্যারিয়ারের ১৮ নম্বর গ্র্যান্ড স্লাম শিরোপা। আঠারোর সন্ধানে মরিয়া ফেদেরার যা পারছেন না বহু চেষ্টাতেও।
Read More »

শৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ব্রাজিল দল থেকে বাদ মাইকন


Maicon_brazilশৃঙ্খলাভঙ্গের দায়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছেন রাইটব্যাক মাইকন। নিউইয়র্কে ইকুয়েডরের বিপক্ষে দ্বিতীয় প্রীতিম্যাচ খেলতে সেলেকাওদের অনুশীলন ক্যাম্প থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়েছেন কোচ কার্লোস দুঙ্গা। এর আগে দ্বিতীয় দফায় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী প্রতিপক্ষ কলম্বিয়ার বিপক্ষে মাইকনকে মাঠে নামান দুঙ্গা। Read More »

রুদ্ধশ্বাস টি-২০ ম্যাচে তিন রানে হারল ভারত


India-vs-Englandশেষ ওভারে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ভারতকে একাধিকবার ম্যাচ জিতিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি৷ এই কারণেই পৃথিবীর অন্যতম সেরা ‘ম্যাচ ফিনিশার’ বলা হয় তাকে৷স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই এই কাজ করেন মাহি৷রোববার এজবাস্টনে এরকমই একটা ম্যাচ জেতানো ইনিংসের শুরু করেছিলেন ধোনি৷ কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারলেন না ‘ক্যাপ্টেন কুল’৷Read More »

বড়পর্দায় আবারও মৌসুমী-ওমরসানি


mousumi-omorsunyবড়পর্দায় তারা আবার একসঙ্গে ফিরছেন, পাঁচটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন- এ বছরের জুনে এমন তথ্য শোনা গিয়েছিল ওমরসানি-মৌসুমীর মুখ থেকে। এর মধ্যে একটি ছবির কাজ শুরু হচ্ছে নভেম্বরে। ‘অপারেশন নাইনটি ওয়ান’ নামের চলচ্চিত্রটির পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান। এর আগে তার পরিচালনায় ‘শান্তি চাই’ ছবিতে কাজ করেছিলেন এ তারকা দম্পতি।
Read More »