Mashrafiউইজডেন ইন্ডিয়া ২০১৪-১৫ সালের সেরা খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করেছে। আর সেই তালিকায় একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে স্থান করে নিয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।
২০১৫ সালটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য  ছিল দারুণ একটি বছর। দলের অসাধারণ পারফরম্যান্সে বিমোহিত টাইগার ভক্তরা। বাংলাদেশের এমন সাফল্যের নেপথ্যে অনেক কারণই থাকতে পারে। কিন্তু এ কথা অনস্বীকার্য যে ‘জিয়ন কাঠি’ মাশরাফি বিন মুর্তজার অধিনায়কত্বে বাংলাদেশ দল যেন পাল্টে যায়।
বছর জুড়েই ছিল টাইগারদের আধিপত্য। নেপথ্যের নায়ক মাশরাফি তার স্বীকৃতি পেয়েছেন আগেই। এবার আরো একটি স্বীকৃতি যোগ হলো। শুক্রবার প্রকাশিত উইজডেন ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’ খ্যাত এই ক্রিকেটার। ২০১৪-১৫  বর্ষে দলে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ স্বীকৃতি পান তিনি।
বিশেষ ভূমিকার জন্য ২২ জানুয়ারি জয়পুরে সাহিত্য উৎসবের দ্বিতীয় দিনে  উইজডেন ইন্ডিয়ার মোড়ক উন্মোচন করা হয়। উইজডেন ইন্ডিয়া আলমানাক ২০১৬ এর মোড়ক উন্মোচন করেন ভারতের প্রাক্তন টেস্ট অধিনায়ক অনীল কুম্বলে ও বাইচুং ভাটিয়া।
এবারের উইজডেন ইন্ডিয়াতে মাশরাফি ছাড়াও রবিচন্দ্রন অশ্বিন, বিনয় কুমার, ইউনুস খান, ধাম্মিকা প্রাসাদ এবং জো রুট এই ছয় খেলোয়াড়কে ২০১৪-১৫ মৌসুমের তারকা খেলোয়াড় হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাছাড়া  বিজয় মার্সেন্ট ও ভাগওয়াত চন্দ্রশেখরকে রাখা হয় হল অব ফেমের তালিকায়। বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি এন শ্রীনিবাসনের দুর্নীতির সঠিক তদন্তের জন্য বিচারক মুকুল মুডগালকে বিশেষভাবে এই সংস্করণে সম্মানিত করা হয়।
এর আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে সর্বপ্রথম উইজডেন ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা খেতাব জেতেন সাকিব আল হাসান। ২০১৩ সালে এ স্বীকৃতি পান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে উইজডেনের বর্ষসেরা নির্বাচিত হন মুশফিকুর রহিম। ২০১৪ সালে এ খেতাবে ভূষিত হন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক।
ঠিক পরের পর এই খেতাব দখলে নেন মুমিনুল হক। আর চতুর্থ বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০১৬ সালে উইজডেন ইন্ডিয়ার বর্ষসেরা খেতাব জিতলেন মাশরাফি।