শীর্ষে বার্সা, এগিয়ে থেকেও ব্যর্থ অ্যাতলেতিকো


barcalona_MRP_930333897ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন বার্সেলোনার ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুতে লা লিগার এবারের আসরের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামে কাতালানদের পিছু না ছাড়া অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ। পিছিয়ে পড়েও জয় পেয়েছে মেসি-নেইমার-সুয়ারেজদের বার্সা। শিরোপা লড়াইয়ে গায়ে লেগে থাকা আতলেতিকো মাদ্রিদকে ২-১ গোলে হারিয়ে খানিকটা এগিয়ে গেল বার্সেলোনা।
চলতি আসরের প্রথম পর্বে বার্সা ২-১ গোলে অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদকে তাদেরই মাঠ ভিসেন্তে দেল কালদেরনে হারিয়েছিল। দু’দল সমান ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মাঠে নামে। তবে, দিয়েগো সিমিওনের অ্যাতলেতিকোর থেকে এক ম্যাচ কম খেলে লুইস এনরিকের শিষ্যরা।
শনিবার বার্সেলোনার মাঠে কোকের গোলে ম্যাচের শুরুর দিকে এগিয়ে গিয়েছিল আতলেতিকো। প্রথমার্ধেই মেসি সমতা ফেরানোর পর বার্সেলোনাকে এগিয়ে দেন সুয়ারেস। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা ঘরের মাঠে ৯৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে অ্যাতলেতিকোকে ২-১ গোলে হারিয়ে এককভাবে শীর্ষস্থান দখল করে।
প্রথমার্ধের শেষের দিকে দশ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধের ২০ মিনিটের মধ্যে আরেকটি লাল কার্ডে ম্যাচে আর ফিরতে পারেনি অতিথিরা।
ম্যাচের শুরু থেকেই কিন্তু লড়াইয়ের আভাস দিয়েছিল আতলেতিকো। দ্বিতীয় মিনিটে অন্তনি গ্রিজমানের দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে ঠেকান বার্সেলোনার গোলরক্ষক ক্লাওদিও ব্রাভো।
তবে দশম মিনিটেই এগিয়ে যায় আতলেতিকো। ডান দিক থেকে আসা দারুণ ক্রসে ডি-বক্সে বল পেয়ে জোরালো শটে ব্রাভোকে পরাস্ত করেন স্পেনের মিডফিল্ডার কোকে।
লা লিগার আগের পাঁচটি ম্যাচে গোল খায়নি দিয়েগো সিমেওনের দল; তাই বার্সেলোনা সমর্থকদের চিন্তাটা আরও বাড়ে।
২৯তম মিনিটে সমতায় ফেরার দারুণ একটা সুযোগ এসেছিল। কিন্তু ইনিয়েস্তার বাড়ানো বলে ডি-বক্সের ভেতর থেকে সুয়ারেসের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন আতলেতিকো গোলরক্ষক ওবলাক।
পরের মিনিটেই অবশ্য কাম্প নউতে আনন্দের উপলক্ষ আনেন মেসি। নেইমার বাঁয়ে বল বাড়িয়েছিলেন জর্দি আলবাকে। তার পাস থেকে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়ান আর্জেন্টিনা অধিনায়ক।
৩৮তম মিনিটে দুর্দান্ত গোলে দলকে এগিয়ে নেন সুয়ারেস। মাঝ মাঠ থেকে চিপ করা বল এক ডিফেন্ডারের সঙ্গে লড়াই করে দখল করে দুরূহ কোণ থেকে শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার।
লা লিগার এই মৌসুমে সুয়ারেস গোল হলো সর্বোচ্চ ১৯টি।
৪৪তম মিনিটে মেসিকে বাজেভাবে ফাউল করে লাল কার্ড দেখেন আতলেতিকোর ব্রাজিলের ডিফেন্ডার ফিলিপে লুইস।
কাম্প নউতে এক জন খেলোয়াড় কম নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে হলে অসাধ্য সাধন করতে হতো দিয়েগো সিমেওনের দলকে। সেটা আর হয়ে উঠেনি।
৫৬তম মিনিটে অবশ্য প্রায় গোল করে ফেলেছিলেন আতলেতিকোর গ্রিজমান। উঁচু ক্রসে পা উঁচিয়ে বল জালের দিকে পাঠিয়েছিলেন ফ্রান্সের এই স্ট্রাইকার। বল ব্রাভোর পায়ে লাগায় সে যাত্রায় রক্ষা পায় বার্সেলোনা।
৬৫তম মিনিটে সুয়ারেসকে অযথা ফাউল করে তারই স্বদেশি দিয়েগো গদিন লাল কার্ড দেখলে বলতে গেলে সব আশা শেষ হয়ে যায় আতলেতিকোর।
ম্যাচে আর ফিরবে কি; নয় জন নিয়ে বার্সেলোনার একের পর এক আক্রমণ ঠেকাতেই ব্যস্ত থাকতে হয় খেলোয়াড়দের।
এই জয়ে ২১ ম্যাচে বার্সেলোনার পয়েন্ট হলো ৫১। এক ম্যাচ বেশি খেলা আতলেতিকোর পয়েন্ট ৪৮।

Advertisements

About Emani

I am a professional Graphic designers create visual concepts, by hand or using computer software, to communicate ideas that inspire, inform, or captivate consumers. I can develop overall layout and production design for advertisements, brochures, magazines, and corporate reports.
This entry was posted in Futbol (ফুটবল). Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s