SA game football_bdমাঝে আর মাত্র একটি দিন। তার পর দিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের গুয়াহাটিতে শুরু হচ্ছে এসএ গেমসের ১২তম আসর। এশিয়ার অলিম্পিক খ্যাত এসএ গেমসে অংশ নিতে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল।
এসএ গেমসে অংশ নিতে যাবার আগে বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সম্মেলন কক্ষে এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কোচ ও অধিনায়ক।
এসএ গেমসকে সামনে রেখে নিজেদের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক রেজাউল করিম বলেন, ‘হার কিংবা ড্র’ নয়, গ্রুপ পর্ব জিতে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে খেলে চ্যাম্পিয়ন হতেই আমরা এসএ গেমসে যাচ্ছি। গেল সাফ ও বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ আমাদের জাতীয় দলের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। সেই হতাশা ঘোচাতেই আমরা এসএ গেমসে যাচ্ছি।’
গেল এসএ গেমসের ফাইনালে ঢাকার মাটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে জয় নিয়ে স্বর্ণ জিতেছিল বাংলাদেশের যুবারা। এবার সেই স্বর্ণ ধরে রাখাও তাদের প্রতিজ্ঞার অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানালেন এই লাল-সবুজের যুবা অধিনায়ক। ‘এবারের এসএ গেমসে আমদের অন্যতম লক্ষ্য থাকবে গেল আসরের স্বর্ণ পুণরুদ্ধার করা।’
এবারের এসএ গেমসে ‘বি’ গ্রুপে থাকা বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে, ভুটান ও নেপাল। আর গ্রুপ ‘এ’তে আছে ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ।
‘বি’ গ্রুপে দুই প্রতিপক্ষের মধ্যে সেরা দল হিসেবে নিজেদের এগিয়ে রাখলেন রেজা। ‘তিন দলের মধ্যে আমরাই সেরা। আমাদের পর শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে আমি এগিয়ে রাখছি ভুটানকে।’
গেল আসরগুলোর ধারাবাহিকতায় এবারের আসরেও আছে ভারত, মালদ্বীপ ও নেপালের মত দল। তবে গ্রুপ পর্ব উতরে গেলে এবারর আসরেও বাংলাদেশের স্বর্ণ জয় কেউ আটকে রাখতে পারবেনা বলেও আশ্বাস দিলেন রেজাউল করিম।
৯ ফেব্রুয়ারি পল্টন বাজারে ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে এবারের এসএ গেমসের মিশন শুরু করবে গঞ্জালো সানচেজ মরেনোর শিষ্যরা। একই ভেন্যুতে ১১ ফেব্রুয়ারি নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে নেপালের মুখামুখি হবে বাংলাদেশ।