sakib-tamimপাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) শুরুতেই ব্যাট হেসেছে সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবালের। নিজ নিজ দলের প্রথম ম্যাচে দুজনই ফিফটি করেছেন। সাকিব তো বল হাতেও জাদু দেখিয়েছেন। লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষে শুক্রবার করাচি কিংসের প্রথম ম্যাচে বল হাতে ৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নেন সাকিব। পরে তো ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে। ১২৬ রান তাড়া করতে নেমে ৪ রানেই ২ উইকেট হারিয়ে কাঁপছিল করাচি।
সেখান থেকে লেন্ডন সিমন্সের সঙ্গে দারুণ এক জুটি গড়ে তোলেন সাকিব। এই দুজন মিলে ৭১ বলে তোলেন ১০৯ রান। মাত্র ৩২ বলে ফিফটি করেন সাকিব। এর একটু পরেই ৫১ রানে আউট হয়ে যান তিনি। তার ৩৫ বলের এই ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ৩টি করে চার ও ছক্কার মার। সাকিবের ৫১ আর সিমন্সের অপরাজিত ৬২ রানের সুবাদে ৭ উইকেটের বড় জয় পায় করাচি। ম্যাচসেরার পুরস্কারটা জেতেন সাকিবই।
একই দিন পরের ম্যাচে ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলতে নামে তামিমের পেশোয়ার জালমি। সাকিবের মতো তামিমের ব্যাট থেকেও এসেছে ৫১ রানের চমৎকার এক ইনিংস। তার ৫১ রানের সুবাদেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৪৫ রানের পুঁজি পায় পেশোয়ার। ১৯তম ওভারে ফেরার আগে ৫১ বলে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন তামিম।
শুরুতে যদিও রানের জন্য বেশ লড়াই করতে হয়েছিল তামিমকে। প্রথম ২৫ বলে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ১৩ রান। তবে শেষ ২৬ বলে তিনি যোগ করেন আরো ৩৮ রান। এই বাঁহাতির ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও একটি ছক্কার মার। তামিমের দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ের পর ওয়াহাব রিয়াজ ও মোহাম্মদ আসঘারের দারুণ বোলিংয়ে ২৪ রানের জয় পেয়েছে পেশোয়ার। ওয়াহাব ও আসঘার- দুজনই ৩টি করে উইকেট নেন।
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে করাচি কিংসের হয়ে খেলতে যাওয়া বাংলাদেশের আরেক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম অবশ্য প্রথম ম্যাচে একাদশে সুযোগ পাননি। তবে সাকিব আর তামিম সুযোগ পেয়ে শুরুতেই বাজিমাত করলেন।