watch tawarভারতের ঐতিহ্যবাহী শহর মহীশুরে বিশ্বের বৃহত্তম ‘ঘড়ি টাওয়ার’ নির্মাণ করতে যাচ্ছে দেশটির অন্যতম প্রধান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘ইনফোসিস’। শহরের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত ইনফোসিসের কার্যালয় প্রাঙ্গণে টাওয়ারটি নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে তারা।
ইনফোসিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাচীন ‘গোথিক স্টাইলে’ নির্মিত টাওয়ারটি হবে একটি বিশ্বমানের ভবন। এর উচ্চতা হবে ১৩৫ মিটার (৪৪৩ ফিট)। ১৯ তলা বিশিষ্ট এই টাওয়ারটির মধ্যে থাকবে সম্মেলন কক্ষ, দর্শণার্থীদের জন্য কক্ষ ও খাবারের ব্যবস্থা।
স্থাপনাটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে প্রায় ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৭৮ কোটি ৫৮ লাখ ৩৫ হাজার টাকার মতো। নকশায় ভারতের জাতীয় ঐতিহ্যকে ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।
‘গিনেজ বুক ওয়ার্ল্ড’ কর্তৃপক্ষ বলেছে, স্থাপনাটি গিনেজ বুকে নিবন্ধিত হওয়ার মতো। এটি একটি ‘ফ্রি-স্ট্যান্ডিং ক্লক টাওয়ার’ অর্থাৎ, স্বাধীনভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ঘড়ি ভবন হিসেবে গিনেজে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। তারা আরো জানিয়েছে, স্থাপনাটির পরিকল্পনাকে তারা স্বাগত জানায়। এই স্থাপনার জন্য ভারত থেকে কোনো আবেদন করা হলে তারা তা বিবেচনা করবে।
ইনফোসিসের ভাইস প্রেসিডেন্ট রামাদাস কান্ত বলেছেন, এই টাওয়ারটি হবে পূর্ণতা, শৃংখলা এবং সময়ানুবর্তিতার প্রতীক, যা  প্রজন্মান্তর ধরে শৃংখলার প্রতিনিধিত্ব করবে।
তিনি বলেন, টাওয়ারটি বাহ্যিকভাবে পুরাতন একটি স্থাপনার মতোই মনে হবে। তবে এটি হবে সম্পূর্ণ ডিজিটাল। এতে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা, জাতীয় দিবস থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় উৎসবগুলো প্রদর্শিত হবে।
উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত বিশ্বের বৃহত্তম ‘ফ্রি-স্ট্যান্ডিং ক্লক টাওয়ার’ হিসেবে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে অবস্থিত ‘জো টাওয়ার’ বা বিগ বেনকে বিবেচনা করা হয়। এটির উচ্চতা ১০০ মিটার। কর্তৃপক্ষ মনে করছে, এই স্থাপনাটি নির্মিত হলে এটিই হবে বিশ্বের‘বৃহত্তম ফ্রি-স্ট্যান্ডিং ক্লক টাওয়ার।’