computer-and-mas-bazarপিসি বা কম্পিউটারের ব্যবসাকে মাছের ব্যবসার সঙ্গে তুলনা করেছেন এইচপির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ডিওন ওয়েজলার। সম্প্রতি এইচপির চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকের আয় ঘোষণার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওয়েজলার বলেন, ‘পুরো পিসির ব্যবসাটিকে মাছ ব্যবসার সঙ্গে তুলনা করা যেতে পারে। যখন মাছ তাজা বা সতেজ থাকে তখন দারুণ, যখন তা থাকে না, তখন অসুস্থ করে তোলে। মাছের ব্যবসার যা হয় তাতে দেখা যায়, যার কাছে পচা মাছ থাকে তার কাছে অনেক ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায় আর যার কাছে সতেজ মাছ থাকে তার ব্যবসা ভালো হয়।’
এর অর্থ হচ্ছে, পুরোনো মডেলের পিসি যখন বিক্রির অপেক্ষায় পড়ে থাকে তা নষ্ট হতে থাকে। যখন নতুন পিসি বাজারে আনা হয়, তখন সাশ্রয়ী দামে যন্ত্রাংশ কেনে না এইচপি। এতে লাভের পরিমাণ কমে যাচ্ছে, পিসি বিক্রি কমছে আর ব্যবসা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
বাজার গবেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছিলেন মাইক্রোসফটের তৈরি উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেম উন্মুক্ত হলে পিসির বাজার ঘুরে দাঁড়াবে। কিন্তু মাইক্রোসফটের প্রচেষ্টা ও বিনা মূল্যে উইন্ডোজ ১০ হালনাগাদ সুবিধা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত ২০ কোটি ডিভাইসে চলছে উইন্ডোজ ১০। উইন্ডোজ ১০ চালিত নতুন পিসিতে আগ্রহ খুব কম দেখা গেছে।
বিশ্বের বৃহত্তম পিসি নির্মাতা এইচপির প্রধান নির্বাহী ডিওন ওয়েজলার পিসি বিক্রি কমে যাওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, গত বছরের প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে এ বছরের প্রথম প্রান্তিকে পিসি বিক্রি ১৩ শতাংশ কমেছে আর এইচপির আয়ও কমেছে ১৩ শতাংশ। উইন্ডোজ ১০ অপারেটিং সিস্টেমের প্রতি ইঙ্গিত করে ওয়েজলার বলেন, ‘আমরা উইন্ডোজ ১০ নিয়ে যে আশা করেছিলাম সে চাহিদার ছিটেফোঁটাও দেখিনি। পিসির যাতে দাম না বাড়ে সে বিষয়টিতে আমাদের লক্ষ্য রাখতে হচ্ছে, এতে পিসির চাহিদা আরও কমে যাবে।’
এইচপির প্রধান নির্বাহী বলেন, গত প্রান্তিকে অনেক পুরোনো মডেলের এইচপির পিসি বাজারে ছেড়ে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ক্রেতারা যাতে এই পিসিগুলো কেনে সেটার পথ বের করাই এখন লক্ষ্য।
তথ্যসূত্র: বিজনেস ইনসাইডার