mustafizটি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে আর টেস্ট- ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাটেই আলো ছড়িয়ে আবির্ভাব মুস্তাফিজুর রহমানের। ক্রিকেট বিষয়ক ওযেবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর বর্ষসেরা অভিষিক্ত ক্রিকেটারের পুরস্কার তাই জিতেছেন বাংলাদেশের এই পেসার।
জুরি আর ইএসপিএনক্রিকইনফোর পাঠকদের ভোটে এই পুরস্কার জেতেন মুস্তাফিজ। পুরস্কার জয়ের দৌড়ে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার ফাস্ট বোলার কাগিসো রাবাদা, শ্রীলঙ্কার পেসার দুশমন্ত চামিরা ও ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডার মার্ক উড।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে মুস্তাফিজ পা রাখেন টি-টোয়েন্টি দিয়ে। গত বছরের ২৪ এপ্রিল ঢাকায় পাকিস্তানের বিপক্ষে সেই ম্যাচে ৪ ওভার বল করে ২ উইকেট নেন মুস্তাফিজ। বাংলাদেশ ম্যাচটি জেতে ৭ উইকেটে।
দারুণ কিছু স্লোয়ার ডেলিভারি আর কাটারে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ম্যাচেই নজর কাড়েন মুস্তাফিজ।
বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ের নতুন এই সেনসেশন এর পর ওয়ানডে দলে সুযোগ পান। নির্বাচকদের আস্থার প্রতিদান অভিষেক ম্যাচেই দেন তিনি। গত বছরের ১৮ জুন ঢাকায় ভারতের বিপক্ষে ৫০ রানে ৫ উইকেট নিয়ে রাজসিক অভিষেক হয় মুস্তাফিজের। দলের ৭৯ রানের জয়ে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন তিনি।
রঙিন পোশাকের গণ্ডি পেরিয়ে এর পর টেস্ট ক্রিকেটে মুস্তাফিজ পা রাখেন গত বছরের ২১ জুলাই। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ঢাকায় সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৪ উইকেট নেন তিনি।
ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত দুটি টেস্ট, ৯টি ওয়ানডে খেলেছেন, যার সবই গত বছর। টেস্টে ১৪.৫০ গড়ে ৪ উইকেট পেয়েছেন তিনি। ওয়ানডেতে ১২.৩৪ গড়ে তার উইকেট ২৬টি।
গত বছর ৫টি টি-টোয়েন্টি খেলে ১৮.৬৬ গড়ে ৬ উইকেট নিয়েছেন মুস্তাফিজ। ক্যারিয়ারে ১০টি টি-টোয়েন্টিতে ১৭ গড়ে ১৩টি উইকেট।
গত বছর ১৬টি ম্যাচ খেলে ৩৬টি উইকেট নেন এই পেসার। সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে ২০১৫ সালে ৩০টির উপরে উইকেট পাওয়া বোলারদের মধ্যে মুস্তাফিজের গড় ও স্ট্রাইক রেট (১৯.৫০) সবচেয়ে ভালো।

Advertisements