uvochor bimanপ্লেন-এয়ারশিপ-হেলিকপ্টারের মিশেল রয়েছে তার গায়ে। গালভরা নাম ‘এয়ারল্যান্ডার ১০’। আকাশে ভাসতে তো পারেই, ল্যান্ড করতে পারে জলে বা বরফের গায়েও। দৈর্ঘ্যে ৯২ মিটার। দুনিয়ার সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী বিমানের থেকেও ১৫ মিটার বেশি লম্বা।
জাম্বো সাইজের এই এয়ারক্রাফ্টের ছবি এ বার প্রকাশ করল ব্রিটিশ ফার্ম হাইব্রিড এয়ার ভেহিকলস (এইচএভি)। তারাই এর ডিজাইন করেছে। যদিও এটি আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন বা টেস্ট ফ্লাইট করা এখনও বাকি রয়েছে। ব্রিটিশ ফার্ম কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, হিলিয়াম গ্যাসের সাহায্যে তিন সপ্তাহ ধরে আকাশে ভেসে থাকতে পারে এই হাইব্রিড বিমানটি। এইচএভি আরও জানিয়েছে, উচ্চতায় মাটি থেকে ২৬ মিটার লম্বা ও চওড়ায় ৪৪ মিটারের এই বিমানটি বাতাসের থেকে ভারী হওয়ায় যে কোনও ধরনের সারফেসে কোনও রকম সাহায্য ছাড়াই ল্যান্ড করতে পারে।
তবে ব্রিটেন নয়, আমেরিকায় নজরদার বিমান হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য গত ২০০৯-এ এটি তৈরির ভাবনা-চিন্তা করা হয়েছিল। কিন্তু, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সামরিক খাতে কাটছাঁট করায় সে প্রকল্প আর দিনের আলো দেখেনি। এর পর তা স্বদেশের জন্য তৈরির সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ ফার্ম এইচএভি। তাদের দাবি, নজরদারি, মালপত্র বহন করা ছাড়াও যাত্রী পরিবহণেও কাজে আসতে পারে ‘এয়ারল্যান্ডার ১০’। এইচএভি জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এতে করে ৫০ টন পর্যন্ত মালপত্র বহন করা যাবে।
শুধু কী ওজনদার কাঠামো! চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যেও মাইল খানেক এগিয়ে হাইব্রিড বিমান। একেবারে আওয়াজ নেই আবার বায়ু দূষণও করে না। সংস্থার দাবি, এয়ার ট্র্যাভেলের ক্ষেত্রে একটি দিগন্তকারী যুগ শুরু করতে পারে ‘এয়ারল্যান্ডার ১০’।-সংবাদমাধ্যম