westindis world cupএক সময় ক্রিকেট বিশ্বের রাজা ছিল তারা। অবিসংবাদিত সম্রাট। ক্যারিবীয় পতাকা উড়েছে গোটা ক্রিকেট বিশ্বে। কিন্তু সেই গৌরবের দিন আর নেই। ওয়েস্ট ই​ন্ডিজ এখন ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের নয় নম্বরের দল! কিন্তু মাঝেমধ্যেই হারানো গৌরব ঝলসে ওঠে। রাজার রক্তের নাচন যেন দোলা দিয়ে যায় তাদের শরীরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ কাঁপিয়ে দেয় বিশ্বকে।
যেমন কাঁপাচ্ছে এবার। গতকাল ড্যারেন স্যামিদের দুর্দান্তভাবে ফাইনালে ওঠার খবরের আড়ালে ​চলে গেছে, এবার বিশ্বকাপের ফাইনালে কিন্তু উঠেছে তাদের নারী দলও। গতকালই নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে ক্যারিবীয় মেয়েরা। ৩ এপ্রিল ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া। মানে কিনা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবার একসঙ্গে দুটি বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে ঘরে ফেরার সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে?
আরেকটু পিছিয়ে গিয়ে যদি গত ফেব্রুয়ারির কথা মনে করেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ যুবদল কিন্তু বাংলাদেশ থেকে জিতে নিয়ে গেছে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের ট্রফি। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৪ এপ্রিল—প্রায় দেড় মাসের ব্যবধানে তিন তিনটি বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের উজ্জ্বল সম্ভাবনার সামনে দাঁড়িয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট! ভাবা যায়!
মূল দল অবশ্যই গেইলরা। তবে গতকাল ম্যাচ শেষে ক্যারিবীয় অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি কিন্তু জানালেন, লড়াইয়ের প্রেরণা তাঁরা নারী দল কিংবা যুবদলকে দেননি। বরং সেই দুটি দলের কাছ থেকেই খুঁজে নিয়েছেন অনুপ্রেরণা। স্যামি বলেছেন, ‘আমরা এখানে একটা মিশন নিয়ে এসেছি। এ বছরের শুরুর দিকে আমাদের ছেলেরা অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছে, আমরা তাদের কাছ থেকেই উজ্জীবিত হয়েছি। আজকে (গতকাল) আমাদের নারী দলও জিতেছে। যার মানে দুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজ ধরই এখন ফাইনালে। আমরা মনে করি এই ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান দল বাকি সবার বিরুদ্ধে। সবাই বলেছে ক্রিস (গেইল) চাপের মধ্যে আছে। কিন্তু আমি বলেছি আমাদের ১৫ জন ম্যাচ জেতানো খেলোয়াড় আছে। আজকে চার্লস, সিমন্স, রাসেল সেই দায়িত্বটা নিল।’