নারী প্রবেশেই মন্দিরে আগুন লেগেছে, ধর্মীয় নেতার ব্যাখ্যা


dhormio neta indiaভারতের ধর্মীয় নেতা স্বরূপানন্দ সরস্বতী বলেছেন, মহারাষ্ট্রের সনি সিংগানাপুর মন্দিরে জোর করে নারীরা প্রবেশ করার কারণেই কেরালার মন্দিরে আগুন লেগেছিল। রোববার কেরালারা পুতিঙ্গাল দেবী মন্দিরে আগুন লেগে ১১২ জন মারা গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে ১ হাজারের মত মানুষ।
ভারতের প্রভাবশালী ধর্মীয় নেতা স্বরূপানন্দ সরস্বতী সোমবার স্থানীয় এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘নারীরা জোর করে শনি মন্দিরের মূল অংশে প্রবেশ করেছে। তারা সেখানে প্রার্থণাও করেছে। এতে ওই নারীদের ওপর শনির নজর পড়েছে। যার কারণে কেরালা মন্দিরে আগুন লেগেছে।’
প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো প্রথা ভেঙ্গে শুক্রবার ভারতের মহারাষ্ট্রের শনি শিংনাপুর মন্দিরে প্রবেশ করেছে নারীরা। গত কয়েক শতাব্দীর পুরনো মন্দিরটিতে কেবল পুরুষদেরই প্রবেশাধিকার ছিল। নারীরা মন্দিরটিতে প্রবেশ করতে পারতো না। কয়েক শতাব্দীর এই প্রথা ভাঙতে গত বছর এক নারী মন্দিরে প্রবেশে চেষ্টা চালায়। কিন্তু মন্দির কর্তৃপক্ষ তাকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি। এর পরিপ্রেক্ষিতে ভূমাতা ব্রিগেড নামে নারীদের একটি সংগঠন মন্দিরে নারীদের প্রবেশাধিকার চেয়ে আন্দোলন শুরু করে। তারা মুম্বাই হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে। আদালত গত ১ এপ্রিল নারীদের মন্দিরে প্রবেশে ও প্রার্থণা করার অনুমতি আছে বলে রায় দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার মন্দিরের ট্রাস্টি বোর্ড নারীদের জন্য মন্দিরের দুয়ার খুলে দেয়।
এখন স্বরূপানন্দের মত নেতারা এই ঘটনাকে কেরলা মন্দিরে অগ্নিকাণ্ডের জন্য দায়ী করছেন। যদিও আতশবাজি উৎসব থেকে দেবী মন্দিরে আগুন ধরেছিল। প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে সেখানে আতশবাজির উৎসব করেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s