mujibul-haq-smবাংলাদেশ রেলওয়ের ৪ হাজার ৩৯১ একর ভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। রেলওয়ের ভূমি দখলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা জড়িত। রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক আজ সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য সালমা ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরো বলেন, ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলে মোট ১৩২ দশমিক ১৯ একর রেলভূমি উচ্ছেদের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা হয়েছে।
রোববার (২৪ এপ্রিল) দশম জাতীয় সংসদের দশম অধিবেশনের প্রথম কার্যদিবসে ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলামের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
সংসদে মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ৪ দশমিক ১২ একর এবং পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ৩ হাজার ৩৮৭ দশমিক ২৭ একর, মোট ৪ হাজার ৩৯১ দশমিক ২৭ একর ভূমি অবৈধ দখলে রয়েছে।
এর মধ্যে সরকারি/আধাসরকারি/স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমির পরিমাণ ৯২২ দশমিক ৩৪ একর। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি কর্তৃক অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমির পরিমাণ ৩ হাজার ৩৭৮ দশমিক ২২ একর এবং ধর্মীয়/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক অবৈধ দখলভুক্ত রেলভূমির পরিমাণ ৯০ দশমিক ৮৩ একর।
মন্ত্রী জানান, উচ্ছেদের মাধ্যমে রেলভূমি দখলমুক্ত করা হয়। রেলওয়ের বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা কর্তৃক স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং রেলওয়ের অন্যান্য বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা নিয়ে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। ২০১৫ সালের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশ রেলওয়ের উভয় অঞ্চলে মোট ১৩২ দশমিক ১৯ একর রেলভূমি উচ্ছেদের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা হয়েছে।
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মতিনের অপর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের চাষাবাদযোগ্য রেলভূমির মধ্যে ১১ হাজার ৬৮ দশমিক ৭৫ একর রেলভূমির লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহারের উপযোগী রেলভূমির মধ্যে ৯০৯ দশমিক ৮৪ একর রেলভূমির লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ রেলভূমির মোট ৬১ হাজার ৮৬০ দশমিক ২৮ একর রেলভূমি ৪৪টি জেলায় অবস্থিত।