খরাপীড়িত ভারতের উত্তরাঞ্চলে একটি অব্যবহৃত পানির কূপ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করতে গিয়ে পাঁচজন গ্রামবাসী মারা গেছেন। বিবিসি বলছে, হরিয়ানা প্রদেশে ওই অব্যবহৃত কূপে জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসের কারণে তারা মারা যান বলে স্থানীয় একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ভারতের বড় একটি অংশ তীব্র খরার মোকাবিলা করছে। এই দুর্যোগে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে।
পানি স্বল্পতার সমস্যা স্বীকারে ব্যর্থতার জন্য গেল সপ্তায় হরিয়ানা ও অন্যদুটি প্রদেশের সমালোচনা করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
স্থানীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হরিয়ানার জিন্দ জেলার পানযোগ্য পানির স্বল্পতা দূর করার লক্ষ্যে একটি অব্যবহৃত কূপ পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করার জন্য ওই ব্যক্তিরা চেষ্টা করেছিলেন।
কিন্তু স্থানীয় উপ পুলিশ প্রধান বিরেন্দর সিং পানযোগ্য পানির প্রয়োজনীয়তার ব্যাপারে এ ধরনের খবরের সত্যতা প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তিরা কূপটিকে গোসলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহারের চেষ্টা করেছিলেন।
তিনি বলেন, “কূপটি পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় ছিল। এটির গভীরে বিষাক্ত গ্যাস জমে ছিল। বিষাক্ত গ্যাস গ্রহণ করার ফলে ওই পাঁচব্যক্তি সেই মারা যান।”
হরিয়ানাসহ গুজরাট ও বিহার খরাকবলিত অঞ্চল ঘোষণা না করায় গেল সপ্তায় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কঠোর সমালোচনা করেছে। রাজ্যগুলোর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ পানির অভাবে নিদারুণ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
খরায় ভারতের অন্ততপক্ষে ৩৩ কোটি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছেন। দেশটির অনেক অঞ্চলের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে।