Pele.jpgসাফল্যে মোড়ানো ক্যারিয়ারে অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন পেলে। সব অর্জনই নিলামে তুলেছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল গ্রেট। দুই হাজারের অধিক স্মারক বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন তিনবারের বিশ্বকাপ জয়ী। ইতোমধ্যেই পেলের বহু অ্যাওয়ার্ড লুফে নিয়েছেন সংগ্রাহক ও তার ভক্ত-সমর্থকরা।
১৯৭০ মেক্সিকো বিশ্বকাপ জেতার পর পেলের জন্য তৈরি করা জুলে রিমে ট্রফির রেপ্লিকা সর্বোচ্চ দরে বিক্রি হওয়ার আভাসটা আগেই পাওয়া গিয়েছিল। যা ৩ লাখ ৯৫ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে কিনে নিয়েছে সুইস ঘড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হাবলট। এর আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছিল ২ লাখ ৮১ হাজার থেকে ৪ লাখ পঞ্চাশ হাজার পাউন্ড।
নিলামে পেলের তিনটি বিশ্বকাপ মেডেলের মধ্যে দু’টি রীতিমতো ঝড় তুলেছে! লন্ডনে তিনদিনের নিলাম অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে দু’টি পদকের মূল্য ৩ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড ছুঁয়েছে।
ব্রাজিলের জার্সি গায়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাতে মাতেন পেলে। তার ১৯৫৮ ওয়ার্ল্ডকাপের মেডেলটি ২ লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। যা আনুমানিক মূল্যকেও (৭০ হাজার থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড) ছাড়িয়ে যায়। আর চিলিতে অনুষ্ঠিত ১৯৬২ বিশ্বকাপ আসরের পদকটি ১ লাখ ৪০ হাজার পাউন্ড দামে বিক্রি হয়।
এই স্মারকগুলো লন্ডনের তিনদিনের নিলাম অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় দিনে বিক্রি হয়েছে। যা তদারকি করছে লস অ্যাঞ্জেলস অকশন হাউস জুলিয়েন’স অকশন্স। ৭ জুন এই নিলাম প্রক্রিয়ার পর্দা ওঠে।
নিলাম নিয়ে বেশ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন জুলিয়েন অকসন্সের প্রধান নির্বাহী ড্যারেন জুলিয়েন, ‘আমরা কাপের (জুলে রিমে ট্রফির রেপ্লিকা) ফলাফলে খু্বই খুশি।’
প্রথম দিনে অবশ্য প্রত্যাশা অনুযায়ী লাভজনক আয়ের দেখা মেলেনি। ‘এসকেপ টু ভিক্টোরি’ ছবিতে পেলে যে বুট জোড়া পায়ে দিয়েছিলেন তা ৮ হাজার পাউন্ডের সামান্য বেশি দামে বিক্রি হয়।
নিলাম থেকে আয়ের একটা বড় অংশ ব্রাজিলের বৃহত্তম শিশু হাসপাতাল পিকুইনো প্রিন্সিপে দান করবেন পেলে।