stephen hoking.jpgপৃথিবী বিখ্যাত পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং প্রায়ই পদার্থবিজ্ঞান ছাড়াও অনেক বিষয়ে কথা বলেন। রাজনীতি, দর্শন ও মানবতা নিয়ে তার গভীর জীবনবোধ রয়েছে। যুদ্ধে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারে উদ্বেগ প্রকাশ করতে গিয়ে হকিং বলেছেন, দূষণ ও নির্বুদ্ধিতাই এখন মানবজাতির সবচেয়ে বড় হুমকি।
ওরা টিভিতে ‘ল্যারি কিং নাও’ নামের একটি সাক্ষাৎকারমুলক অনুস্থানে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এই তাত্ত্বিক পদার্থবিদ বলেছেন, ‘গত এক দশকের কথা চিন্তা করলে দেখা যাবে পরিবেশের প্রতি আমাদের আচরণে লোভ কিংবা নির্বুদ্ধিতা একটুও কমে নি।’
তিনি বলেন, ‘৬ বছর আগে আমি পরিবেশ দূষণ ও জনসংখ্যার বিস্ফোরণ নিয়ে সতর্কতা দিয়েছি। এরপর থেকে পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি, বরং দূষণ বেড়েছে বহুগুণ। জনসংখ্যা বেড়েছে ৫০ কোটি।’
‘এই গতি চলতে থাকলে ২১০০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা দাঁড়াবে ১১শ কোটি। সেই সাথে গত ৫ বছরে বায়ু দূষণ বেড়েছে ৮ শতাংশ। বাতাসে কার্বনডাই অক্সাইডের মাত্রা যে গতিতে বাড়ছে তাতে বৈশ্বিক উষ্ণতা ঠেকাতে দেরি হয়ে যাবে।’
যুদ্ধক্ষেত্রে প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও চিন্তিত অধ্যাপক হকিং। বিশেষ করে অস্ত্র তৈরিতে প্রযুক্তির ব্যবহার। তিনি বলেন, ‘সরকার উন্নত অস্ত্র তৈরির প্রতিযোগিতা করছে। সেখানে টাকা উড়ছে। কিন্তু যে সমস্ত কাজে মানবজাতির উন্নতি হবে সেই খাতে অর্থ নেই। তাছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি নিয়ে সাবধানে অগ্রসর হতে হবে কারণ মেশিন মানুষের চেয়ে বেশি ক্ষমতা পেয়ে নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যেতে পারে।’