UK Leader nirbachion.jpgপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগের ঘোষণার পর যুক্তরাজ্যের ক্ষমতাসীন টরি পার্টির নেতা নির্বাচন নিয়ে চলছে নানা নাটকীয়তা। কে হচ্ছেন টরি পার্টির নেতা ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী? এ প্রশ্নকে ঘিরে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে দেশটিতে।
প্রথম থেকে ধারণা করা হচ্ছিল লন্ডনের প্রাক্তন মেয়র বরিস জনসন এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার হঠাৎ তিনি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি দল ও ঐক্যের জন্য প্রয়োজনীয় নেতৃত্ব দিতে পারব না আমি।
এদিকে জনসনের ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে বৃহস্পতিবার সকালে বিচারমন্ত্রী মাইকেল গভ দলের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থিতার ঘোষণা দিয়েছেন। জনসন এবং গভ উভয়েই ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ছাড়ার পক্ষে ছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত তারা জয়ী হন।
একই পদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থেরেসা মে অন্যতম প্রার্থী। তিনিও যুক্তরাজ্যের ইইউ ছাড়ার পক্ষে কট্টর অবস্থানে ছিলেন।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ সময়। ৯ সেপ্টেম্বর বিজয়ী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।
ক্ষমতাসীন রক্ষণশীল দল টরি পার্টির নেতা প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন গণভোটে হেরে যাওয়ার পর পদত্যাগের ঘোষণা দেন। গণভোটে ইইউ ছাড়ার পক্ষে ৫২ শতাংশ এবং থাকার পক্ষে ৪৮ শতাংশ ভোট পড়ে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যের টরি পার্টির প্রধান নেতাই প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন হন। সেক্ষেত্রে দলীয় ভোটে যিনি নেতা নির্বাচিত হবেন, তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী।

UK Leader nirbachion.jpg

Advertisements