muktijoddha ziaur rahman.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক স্মরণিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন এবং এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন শেষে টিএসসিতে এক আলোচনা সভায় স্মরণিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়।
স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার কড়া প্রতিবাদ করেন বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই সদস্য সুভাষ সিংহ রায়।
স্মরণিকার ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘স্মৃতি অম্লান’ শিরোনামে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়ে জিয়াউর রহমান হলের পরিচয় দেয়া হয় বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।
পরিচিতিমূলক লেখাটি লেখেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমান।
সেই সঙ্গে এর ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় জগন্নাথ হলের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু তথা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং উপজাতি ছাত্রদের জন্য এই হল প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাবির ভিসিকে ধাওয়া, গাড়ি ভাঙচুর করলো ছাত্রলীগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমানের পদত্যাগ দাবিতে ভিসির বাসভবন ঘেরাও এবং তার গাড়ি ভাঙচুর করেছে ছাত্রলীগ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রকাশিত স্মরণিকায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করায় ক্ষুব্ধ তারা।
শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে মধুর ক্যান্টিন থেকে মিছিল নিয়ে এসে ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। এর আগে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বাসভবনে যাওয়ার পথে টিএসসির সামনে ভিসির গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে তারা। এসময় চালক দ্রুত গাড়ি চালিয়ে তাকে বাসভবনে পৌঁছে দেন। গাড়িটির সামনে কাচ ভেঙে ভিসির গায়েও পড়েছে। তবে তিনি গুরুতর আহত হননি।
এর আগে মিছিলের নেতৃত্ব দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আবিদ আল হাসান ও সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন প্রিন্স। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বর্তমানে ভিসির বাসভবনে সামনে পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টরসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত আছেন।
আবিদ আল হাসান বলেন, ‘স্বরণিকা প্রকাশের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো ক্লাস-পরীক্ষা হতে দেয়া হবে না।’
মোতাহার হোসেন প্রিন্স বলেন, ‘সন্ধ্যার মধ্যে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে হবে। না করলে তাকে টেনেহিঁচড়ে নামানো হবে।’
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঐতিহ্যবাহি উচ্চ শিক্ষার এ প্রতিষ্ঠানের ৯৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রকাশিত স্মরণিকার এ তথ্য স্থান পেয়েছে। অবিশ্বাস্য হলেও স্মরণিকায় ‘স্মৃতি অম্লান’ শিরোনামে এ নিবন্ধের লেখক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমান।
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, এ ইতিহাস কারো অজানা থাকার কথা নয়। ইতিহাসের এ বিকৃতি ইচ্ছাকৃত না কি ‘মুদ্রণ প্রমাদ’ তা খতিয়ে দেখতে কমিটি করার আশ্বাস দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
অবশ্য শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান উদ্বোধন শেষে টিএসসিতে এক আলোচনা সভায় স্মরণিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়।

ঢাবি রেজিস্ট্রারকে অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকার প্রকাশক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমানকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার বিকেলে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে ঢাবির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আমজাদ আলী জানান, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমানকে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। স্মরণিকার ঘটনা তদন্তে দ্রুত একটি কমিটি করা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মরণিকায় বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক স্মরণিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করেন এবং এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানান।
শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন শেষে টিএসসিতে এক আলোচনা সভায় স্মরণিকাটি বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করা হয়।
স্মরণিকায় জিয়াউর রহমানকে প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে উল্লেখ করার কড়া প্রতিবাদ করেন বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই সদস্য সুভাষ সিংহ রায়।
স্মরণিকার ১৯ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘স্মৃতি অম্লান’ শিরোনামে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর বর্ণনা দিতে গিয়ে জিয়াউর রহমান হলের পরিচয় দেয়া হয় বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, সাবেক সেনাপ্রধান ও মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে।
পরিচিতিমূলক লেখাটি লেখেন ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সৈয়দ রেজাউর রহমান।
সেই সঙ্গে এর ১৩ নম্বর পৃষ্ঠায় জগন্নাথ হলের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যালঘু তথা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং উপজাতি ছাত্রদের জন্য এই হল প্রতিষ্ঠিত হয়।