messi-ronaldo.jpgলিওনেল মেসির দুঃখটা তিনিই সবচেয়ে ভালো বুঝবেন। ১৯৯৫ কোপা আমেরিকা। ব্রাজিলের হয়ে তাঁর প্রথম বড় টুর্নামেন্ট। আর সেই টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্রাজিল হেরে গেল উরুগুয়ের কাছে। টাইব্রেকারে! কিংবা ১৯৯৮ বিশ্বকাপ? যে বিশ্বকাপ তাঁর আলোয় উদ্ভাসিত। মাত্র ২১ বছর বয়সেই রোনালদোর নাম উচ্চারিত হতে শুরু করেছিল সর্বকালের সেরাদের কাতারে! কিন্তু সেবার ফাইনালটা তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কালো অধ্যায় হয়ে থাকল।
কোপা আর বিশ্বকাপের ট্রফি ছোঁয়ার একদম দুয়ার থেকে ফেরার পরও কিন্তু রোনালদো ঠিক এই দুটি ট্রফি জিতেছেন। ১৯৯৭ আর ১৯৯৯ কোপা, ২০০২ বিশ্বকাপ। নামের পাশে ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জেতার রেকর্ড থাকলেও সেটিতে অবশ্য তিনি ছিলেন ‘দুধভাত’। নিজের ব্যর্থতার জ্বালা রোনালদো নিজেই মিটিয়েছেন। মেসির দুঃখবোধের আগুনটাকেও তিনি তাই রূপান্তরিত করতে বলছেন প্রতিশোধের স্পৃহায়।
মেসির বিদায় ঘোষণায় রোনালদো যেন ব্যথিত। ব্রাজিল কিংবদন্তির আশা, মেসি নিজের সিদ্ধান্ত ভেবে দেখবেন আরেকবার, ‘এটা একেবারেই ওর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমাদের ওর সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাতেই হবে। তবে সত্যি বলতে, মনে হচ্ছে মেসি আমাদের অনাথ করে দিল। আশা করি ও সিদ্ধান্ত বদলাবে।’