mianmar mosque.jpgমিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের একটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেছে সেখানকার একদল সশস্ত্র হামলাকারী। ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় বৌদ্ধপ্রধান এই দেশটিতে দ্বিতীয়বারের মতো এ ধরনের হামলার ঘটনা ঘটল। শুক্রবার মিয়ানমারের হাপকান্ত শহরের ওই মসজিদে হামলাকারীরা লাঠি, ছুরি ও অন্যান্য অস্ত্র নিয়ে হামলা করে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।
মিয়ানমারের ‘দ্য গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার’ নামের রাষ্ট্রীয় একটি পত্রিকা জানায়, আক্রমণকারীদের নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয় আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তারা মসজিদ ভবনে হামলা করে এবং এতে অগ্নিসংযোগ করে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার জানিয়েছে, শুক্রবার লৌহদণ্ড, ছুরি ও অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মসজিদে হামলা চালানো হয়। ভাংচুরের পর মসজিদটিতে অগ্নিসংযোগ করে হামলাকারীরা। এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
সংবাদমাধ্যমটি আরো জানিয়েছে, মসজিদটির নির্মাণকে কেন্দ্র করে সহিংসতার সূত্রপাত হয়। হামলাকারীরা ছিলো অপ্রতিরোধ্য। তারা পুরো মসজিদটিকে ধ্বংসস্তুপে পরিণত করে।
মসজিদে হামলাটি এমন সময় ঘটলো যখন জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার তদন্ত কর্মকর্তারা মিয়ানমারের ১২ দিনের সফর শেষ করেছেন। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের কর্মকর্তা ইয়াংহি লি মিয়ানমার সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘মিয়ানমারের সমাজব্যবস্থায় ধর্ম নিয়ে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাচ্ছে।’ গত মাসে বাগো এলাকায় আরেকটি মসজিদে হামলা ও ধ্বংসের ঘটনা তদন্তের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারে সংখ্যালঘু ধর্ম ও সম্প্রদায়ের লোকজনের বিরুদ্ধে সহিংসতার যে কোনো স্থান নেই  সরকারকে অবশ্যই তা দেখাতে হবে।’