mesbah-shrin sports.jpgঅনেকটাই অনিশ্চয়তার দোলাচলে দুলছিলেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব মেজবাহ আহমেদ ও দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। হয়তো অংশ নেওয়া হবে না এবারের অলিম্পিকে। কিন্তু মঙ্গলবার সে অনিশ্চয়তার ঘোর কেটেছে তাদের। সিদ্দিকুরদের সাথে তারাও যাচ্ছেন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর অলিম্পিকে। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) মহাপরিচালক ফখরুদ্দীন হায়দার।
তাইতো অলিম্পিক গেমসকে ঘিরে স্বপ্ন তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের। যোগ্যতা দেখিয়ে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে অলিম্পিক আসরে নাম লেখান দেশসেরা গলফার সিদ্দিকুর রহমান। বাকি ছয়জনই যাচ্ছেন ‘ওয়াইল্ড কার্ড’ পেয়ে।
রিও ডি জেনেইরোর অলিম্পিকে খেলার জন্য সবশেষ ওয়াইল্ড কার্ড পেয়েছেন বাংলাদেশের দ্রুততম মানব মেজবাহ আহমেদ ও দ্রুততম মানবী শিরিন আক্তার। তাদের দু’জনের ওয়াইল্ড কার্ড পাওয়ার তারিখ শেষ হয় গত ১৫ জুলাই। কিন্তু, আশা ছেড়ে দেয়নি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) সঙ্গে সর্বদা যোগাযোগ রাখার পর আইওসি থেকে জানানো হয়, কিছুটা বিলম্ব হলেও এই দুই অ্যাথলেটকে ওয়াইল্ড কার্ড পাঠানো হবে।
তাই, সিদ্দিকুর ছাড়াও অলিম্পিক মঞ্চে যাচ্ছেন সাঁতারু মাহফিজুর রহমান সাগর ও সোনিয়া আক্তার টুম্পা, শ্যুটিংয়ে কমনওয়েলথ গেমসের রূপাজয়ী আবদুল্লাহ হেল বাকি, আরচ্যারিতে শ্যামলী রায় আর স্প্রিন্টার মেজবাহ আহমেদ ও শিরিন আক্তার।
অলিম্পিকের মঞ্চে পদকের লড়াইয়ে পাঁচ ডিসিপ্লিনে লাল-সবুজের পতাকা উড়াবেন এই সাত অ্যাথলেট। বাংলাদেশের পতাকা বহনের দায়িত্ব পেয়েছেন গলফার সিদ্দিকুর।
উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক আসরে বাংলাদেশের প্রথম স্প্রিন্টার হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন সে সময়ের দ্রুততম মানব সাইদুর রহমান ডন। লস অ্যাঞ্জেলেসের সেই আসরের পর থেকেই ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে বাংলাদেশের স্প্রিন্টাররা অলিম্পিকে অংশ নিচ্ছিলেন।