ghorashal biddut.jpgজিই এবং চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি এন্ড ইকুইপমেন্ট ইমপোর্ট এন্ড এক্সপোর্ট করপোরেশন একত্রিতভাবে নরসিংদীর ঘোড়াশাল পাওয়ার প্ল্যান্টের তিনটি ইউনিটের পুনঃক্ষমতায়নের প্রকল্প পেয়েছে। ঘোড়াশাল পাওয়ার প্ল্যান্টটি বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড-এর (বিপিডিবি) অর্ন্তগত এবং এই চুক্তিটি ১১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের। দেশীয় টাকায় ৯২১ কোটি টাকা।  এটি দেশের প্রথম পুনঃক্ষমতায়ন প্রকল্প এবং এটি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে জাতীয় গ্রিডে ২০০ মেগাওয়াট পরিচ্ছন্ন বিদ্যুৎ শক্তি যোগান দেবে।
এই প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যমান ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার গ্যাস চালিত বয়লার পাওয়ার মেশিন (এলএমজেড ২০০) স্টিম টারবাইনকে একটি কমবাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টে রূপন্তরিত করা হবে। একটি গ্যাস টারবাইন এবং একটি হিট রিকভারি স্টিম জেনারেটর (এইচআরএসজি) স্থাপনের মাধ্যমে কমবাইন্ড সাইকেল মোড-এ ৪১৬.৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে।
জিই সাউথ এশিয়ার জিই গ্যাস পাওয়ার সিস্টেমস বিজনেস-এর সিইও দীপেশ নন্দা বলেন,‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন অবকাঠামো স্থাপন এবং পরিবর্ধনের অংশীদার হতে পেরে জিই গর্বিত। ২০২১ সালের মধ্যে সবার কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেবার মাধ্যমে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য পুরণে সাহায্য করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে জিই-এর কমবাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্ট সেবা বিদ্যুৎ প্রকল্পটি ঘোড়াশাল বিদ্যুৎ প্রকল্পে নতুন প্রাণের সঞ্চার করবে এবং এর কার্বন ফুটপ্রিন্ট হ্রাসে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।’
পুনঃক্ষমতায়ন প্রকল্পের অংশ হিসেবে ঘোড়াশালের বিদ্যমান স্টিম টারবাইন জিই-এর অ্যাডভান্সড রিঅ্যাকশন ডিজাইন স্টিম টারবাইন হাই প্রেশার (এইচপি) মডিউল, ইন্টারমিডিয়েট প্রেশার (আইপি) মডিউল এবং লো প্রেশার (এলপি) ইনার মডিউল দিয়ে রেট্রোফিট করা হবে যেন এটি নতুন স্টিম প্যারামিটারের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
২০১৫ সালের নভেম্বরে এলস্টম পাওয়ারের থার্মাল সার্ভিসেস বিজনেস অধিগ্রহণের মাধ্যমে জিই সেই সমস্ত ইকুইপমেন্ট মেরামত করার বৈশ্বিক সক্ষমতা অর্জন করে। কোম্পানিটি সারা বিশ্বে ৬ গিগাওয়াট (জিডব্লিউ) পুনঃক্ষমতায়ন প্রকল্প স্থাপন করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যমান পাওয়ার বেইস-এর প্রায় ১.৯ গিগাওয়াট জিই কর্তৃক স্থাপিত যা ৩০টি গ্যাস টারবাইনেরও বেশি।