এবার নগ্ন ছবিতে বিতর্কে ট্রাম্প পত্নী মেলানিয়া


melania (trump wife).jpgস্বামী-স্ত্রী দুজন মিলেই যেন পাল্লা দিয়েছেন বিতর্কে নামার। এদিক দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড়ে থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্পকে যেন ছাড়িয়ে যেতে চান তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প! কপি-পেস্ট ভাষণের পর এবার নগ্ন হয়ে আলোচনায় মেলানিয়া। রোববার (৩১ জুলাই) নিউ ইয়ার্ক পোস্টে তার ছাপা হওয়া নগ্ন ছবি নিয়ে অালোচনা নানা মহলে। তবে ফ্রান্সের একটি ম্যাগাজিনের ছবি পুনরায় ছেপেছে তারা; এতেই বিষয়টি নজরে আসে ঢের।
ছবিতে দেখা যায় ২৫ বছর বয়সী মেলানিয়াকে নগ্ন হয়ে দাঁড়াতে। এ ছবি যখন তোলা হয়েছিল তখন পুরেদমে জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী তিনি, থাকতেন স্লোভানিয়ায়। ১৯৯৫ সালে ম্যানহাটনে তোলা হয় ছবিটি। ফ্রান্সের এক ফটোগ্রাফার যা তুলে দিয়েছিলেন।
রোববার নিউ ইয়র্ক পোস্ট ম্যাগাজিনে ট্রাম্প পত্নীর নগ্ন ছবিটি প্রকাশিত হয়। ছবির সঙ্গে জুড়ে দেয়া ক্যাপশনে লেখা ছিল,‘আপনারা এর আগে এমন সম্ভবনাময় ফার্স্ট লেডি আর দেখেননি।’ অবশ্যই এটি বিরল একটি ছবি। এর আগে আর কোনো মার্কিন পত্রিকায় মেলানিয়া ট্রাম্পের এ জাতীয় ছবি ছাপা হয়নি। আর কে না জানে ট্রাম্প জিতলে মেলানিয়াই হবেন প্রথম মার্কিন ফার্স্ট লেডি। এর আগে আর কোনো ফার্স্ট লেডির নগ্ন ছবি প্রকাশিত হয়নি।
১৯৯৫ সালে ম্যানহাটানে ফটোশুটে অংশ নেয়ার সময় ছবিটি তোলা হয়। ফরাসি পুরুষদের জন্য প্রকাশিত এক ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের জন্য তিনি ওই ফটোশুটে অংশ নিয়েছিলেন। ছবিগুলো তুলেছিলেন ফরাসি ফটোগ্রাফার আলে ডি বাসেভিল। স্লোভেনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী মেলানিয়া তখন ২৫ বছরের উচ্ছ্বল তরুণী। প্যারিস ও ইতালিতে মডেলিং শেষে সবে পৌঁছেছেন ম্যানহাটান শহরে।
এই ছবিগুলো নিয়ে ট্রাম্পের অনুভূতি জানতে চেয়েছিল নিউ ইয়র্ক পোস্ট। উত্তরে তিনি বলেন,‘মেলানিয়া একজন সফল মডেল এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের জন্য সে এ ধরনের বহু ফটোশুটে অংশ নিয়েছে। আমার জানা মতে ইউরোপের একটি প্রথম শ্রেণির ম্যাগাজিনের জন্য ছবিগুলো তোলা হয়েছিল। ইউরোপে এসব ছবির বেশ কদর আছে।’
মডেল থাকাকালে এই ছবিটি তুলেছিলেন মেলানিয়া ট্রাম্প
ছবিতে ট্রাম্প পত্নীর পরনে এক জোড়া হাইহিল ছাড়া আর কিছুই নেই। এসব ন্যুড ছবি তোলার সময় একটুও অস্বস্তিত্বে ভোগেননি মেলানিল। তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। জানাচ্ছেন ফটোগ্রাফার ডি বেসেভিলে। তিনি ছবিগুলোকে ‘নারী স্বাধীনতা ও সৌন্দের্যের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মেলানিয়ার ছবি তুলতে পারায় নিজেকে ধন্য মনে করছেন ওই ফরাসি ফটো সাংবাদিক।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s