wine1.jpgজার্মানিতে এক সিরীয় তরুণী জিতলেন ‘ওয়াইন কুইন’ মুকুট। দেশটির ওয়াইন (মদ) উৎপাদনকারী একটি অঞ্চলে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার সিরীয় শরণার্থী শিক্ষার্থী নিনোরতো বানু (২৬) সম্মানজনক ওয়াইন কুইন মুকুট জিতলেন। জার্মানিতে তিনিই প্রথম কোনো শরণার্থী, যিনি এ ধরনের সম্মান অর্জন করলেন। বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
লুক্সেমবার্গ সীমান্তঘেঁষা জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলে মোসেলে মদ উৎপাদান অঞ্চলের প্রতিযোগিত হয় ট্রিয়ের শহরে। এ প্রতিযোগিতায় ওয়াইন কুইন মুকুট জেতেন সিরীয় খ্রিষ্টান শরণার্থী বানু। তিনি জানিয়েছেন, এই মুকুট জয় তাকে এগিয়ে চলতে সাহস জোগাবে।
বানু তার প্রক্রিয়ায় জানান, ‘আমি দেখাতে চাই জার্মানি একটি অভ্যর্থনাকারী দেশ। জার্মানরা খুবই অতিথিপরায়ণ। তারা শরণার্থীদের দ্রুত ও সফলভাগে এগিয়ে নিতে কাজ করেন।’
‘শরণার্থী হিসেবে একটি নতুন জায়গায় কোনো কিছু শুরু করাটা খুবই কঠিন।’
গত বছর জার্মানি ১০ লাখের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে আশ্রয় দেয়। এদের মধ্যে অধিকাংশই যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে আসা মানুষ।
আগামী বছর ট্রিয়ের ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের ওয়াইন উৎপাদনকারীদের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও উৎসবে হাজির হয়ে তাদের পক্ষে প্রচার চালাবেন নিনোরতো বানু। তিনি জানান, মুকুট জেতায় অন্য শরণার্থীরা তার ওপর খুশি হয়েছেন।
মদ তৈরির ওপর একটি সংক্ষিপ্ত কোর্স করেন বানু। তিনি রিস্লিং মদ তৈরি করতে পছন্দ করেন।
১৯৩০-এর দশক থেকে জার্মানিতে ‘ওয়াইন কুইন’ ধারণাটি প্রচলতি। রেওয়াজ অনুযায়ী, জার্মানির বিভিন্ন মদ উৎপাদন অঞ্চলে এ প্রতিযোগিতা হয়ে থাকে।
প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে জার্মানির ১৩টি মদ উৎপাদনকারী অঞ্চলের ওয়াই কুইনরা একটি অভিন্ন প্রতিযোগিতায় শামিল হন। তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হন ‘জার্মানির ওয়াইন কুইন’।

wine1.jpg