korbani.jpgআসন্ন ঈদুল আজহায় দেশের ১১টি সিটি করপোরেশন ও জেলা শহরে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ছয় হাজার ২৩৩টি স্থান নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। তবে এসব স্থানে পশু জবাই বাধ্যতামূলক নয়। বৃহস্পতিবার সকালে কোরবানির পশু জবাই ও বর্জ্য অপসারণ নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
এবারের ঈদে ১৮ বছর হয়নি এমন কেউ পশু জবাই করতে পারবে না। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এমন নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বলেছে, যাদের বয়স এর চেয়ে কম তারা পশু জবাইয়ের অনুমতি পাবে না।
সভার পর স্থানীয় সরকার সচিব আব্দুল মালেক সাংবাদিকদের জানান, নির্দেশনাটি আগে থেকেই দেয়া থাকলেও এবার ঈদে এটি কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, ১১ সিটি করপোরেশনে ২ হাজার ৯৪৩টি নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের জন্য ৮৮৫ জন ঈমাম ও ১২ হাজার ৬৩৮ জন কসাই থাকবেন। জেল পর্যায়েও পশু জবাইয়ের স্থানে ঈমাম ও কসাই থাকবে।
নির্ধারিত স্থানে এনে কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য সবাইকে অনুরোধ জানান তিনি।
সাধারণত গরু ও খাসিই বেশি কোরবানি দেয়া হয় বাংলাদেশে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনসহ চারটি পৌরসভার মেয়র সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Advertisements