sweat.jpgসকালে বাড়ি থেকে বেরনোর সময় সব ঠিকঠাকই ছিল। বেলা বাড়তেই বিপদ। অফিসে পাশের সহকর্মীও এড়িয়ে চলছেন। অটো, বাসে উঠলে বিরক্ত সহযাত্রীরা। কারণ?‌ ঘামের দুর্গন্ধ। বেশি ঘামলে দুর্গন্ধ হয়, এ রকম ভাবা ভুল। ঘামের সঙ্গে ব্যাকটিরিয়া মিশলেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। গরম আর আর্দ্র আবহাওয়ায় এই ব্যাকটিরিয়াদের প্রকোপ বাড়ে। পাশাপাশি অপরিষ্কার থাকলে, শরীরে জরুরি পুষ্টির অভাব হলে বা কোষ্ঠকাঠিন্য, লিভারের অসুখের কারণেও ঘামে দুর্গন্ধ হতে পারে। ডিওডোরেন্ট তো আছেই। কয়েকটি ঘরোয়া উপায়েও দুর্গন্ধ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। জেনে নিন—
* বেকিং সোডা ত্বকের আর্দ্রতা শুষে নেয়। ফলে ঘাম জমতে দেয় না। পাশাপাশি ব্যাকটিরিয়াও মারে। এক চামচ বেকিং সোডা আর এক চামচ লেবুর রস মিশিয়ে বগল সহ যেসব জায়গায় ঘাম বেশি হয়, লাগিয়ে নিন। ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। উপকার পাবেন।
* অ্যাপল সিডার ভিনিগারের ব্যাকটিরিয়া নাশের শক্তি রয়েছে। তাতে তুলো ভিজিয়ে সকাল–রাতে দুবার বগলে লাগান। স্নানের জলেও মিশিয়ে নিতে পারেন।
* লেবুতে থাকে অ্যাসিড। এই অ্যাসিড ত্বকে ক্ষার–অম্লের পরিমাণ কমায়। ফলে ব্যাকটিরিয়া মরে যায়। কারণ এই ক্ষার–অম্লই ব্যাকটিরিয়ার মূল খাদ্য। বগলে লেবুর রস লাগান। ত্বক সংবেদনশীল হলে লেবুর রসের সঙ্গে জল মিশিয়ে নিন।
* টি ট্রি অয়েলে ব্যাকটিরিয়া–রোধী উপাদান রয়েছে। পাশাপাশি সংক্রমণ রোধ করতেও সাহায্য করে এই তেল। স্নানের জলে টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। যে কোনও প্রসাধনীর দোকানে মিলবে টি ট্রি অয়েল।
* খোসা ছাড়িয়ে ৭ থেকে ৮টা টমেটোর পিউরি বানান। স্নানের জলে মিশিয়ে নিন। সপ্তাহে একবার এই জলে স্নান করলে দুর্গন্ধ পালাবে।