প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক


natural-pain-relief-materialব্যথা থেকে মুক্তি পেতে ওষুধের বদলে ভেষজ উপাদান সেবন বেশ কার্যকর ও স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রতিদিনের কাজের চাপে মাথা ব্যথা, পিঠব্যথা বা পা-ব্যথা হতেই পারে। আর এ থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে অনেকেই ওষুধ খেয়ে থাকনে। যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। তাই ব্যথা কমানোর জন্য প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া কিছু প্রতিষেধক ব্যবহার করা যেতে পারে।
ব্যাথা একটি বিরক্তিকর রোগ।বিভিন্ন কারণে মানুষের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাথা হতে পারে। যেমন অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে, বিছানায় ভুল ভাবে ঘুমানোর জন্য, এবং হঠাৎ কোনো শারীরিক পরিবর্তন ইত্যাদি কারণে, এ ধরণের ব্যাথা হয়ে থাকে। তাই ওষুধের বদলে বেশ কিছু খাবার খেয়েও শরীরের ব্যাথা উপশম করা যায়।
আমারা যদি আমাদের খাদ্য তালিকায় ওই,সকল ফল, শস্য বা খাবার সামগ্রী রাখি তাহলে দাঁত ব্যথা, মাথাব্যথা, পেশিতে ব্যথা ইত্যাদি অনেক ধরনের
ব্যাথার উপশম হবে। কারণ এই সকল সামগ্রীতে বিরোধী প্রদাহজনক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। চলুন জেনে নেই এমন কিছু খাবারের নাম ও বৈশিষ্ট্য যা শরীরের বিভিন্ন ধরনের ব্যাথা হতে মুক্তি দান করে।

হলুদ: ‘স্পাইস কারকউমিন’ নামক একটি উপাদানের কারণে হলুদ রং হয়ে থাকে এই মসলায়। আর এতে আছে প্রচুর অ্যান্টিইনফ্লামাটরি উপাদান যা অনেক ক্ষেত্রেই অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধের মতো কাজ করে থাকে। তাই মাংসপেশি এবং শরীরের বিভিন্ন সংযোগ স্থলে ব্যথা উপশমে হলুদ বেশ উপকারী।
দুধের সঙ্গে মিশিয়ে বা চায়ের সঙ্গে হলুদ সেবন করলে উপকার পাওয়া যাবে।

আদা: অ্যান্টিইনফ্লামাটরি উপাদান সমৃদ্ধ আদা- বাতের ব্যথা, পেট ও বুকের ব্যথা, মাসিকের কারণে হওয়া ব্যথা এমনকি মাংসপেশির প্রদাহের কারণে হওয়া ব্যথা উপশমেও সহায়ক।
আদা ছেঁচে একটি পরিষ্কার কাপড়ে পেঁচিয়ে ব্যথার স্থানে চেপে ধরে রাখলে আরাম পাওয়া যাবে।

লাল আঙুর: রেসভেরাট্রল নামক একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের উপস্থিতির কারণে এই আঙুরের রং এমন লালচে হয়ে থাকে। আর এই উপাদান পিঠ ব্যথাসহ বিভিন্ন ব্যথা উপশমে সহায়ক।
এক মুঠো পরিমাণ  লাল আঙুর খেলে ব্যথা কিছুটা কমে আসবে।

লবণ: গোসলের সময় কুসুম গরম পানিতে ১০ থেকে ১৫ টেবিল-চামচ লবণ মিশিয়ে ১৫ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখুন। এই লবণ পানি শরীরের পেশি এবং কোষ শিথীল করে এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
টক দই: পেট ফাঁপা, জ্বলুনি এবং ব্যথা কমাতে দই বেশ উপযোগী। দইয়ের ব্যাক্টেরিয়া হজমে সহায়তা করে ফলে পেটের ব্যথা বা জ্বলুনি কমিয়ে আরাম দেয়। প্রতিদিন এক বাটি দই খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

মরিচ: মরিচে রয়েছে ক্যাপসাইসিন নামক একটি উপাদান যা বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক ক্রিমে পাওয়া যায়। এই উপাদান স্নায়ুকে আরাম দেয় এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
প্রতিদিন খাবারের সঙ্গে মরিচ খাওয়ার অভ্যাস করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

কফি: ক্যাফেইন ব্যথা নিরাময়ে বেশ কার্যকর। বিশেষ করে পেশি ও মাথা-ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে কফি বেশ উপযোগী। প্রতিদিন দুই কাপ কফি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।

Advertisements

One thought on “প্রাকৃতিক ব্যাথানাশক

  1. Hello this is kind of of off topic but I was wanting to know if blogs use WYSIWYG editors or if you
    have to manually code with HTML. I’m starting a blog soon but have no coding
    know-how so I wanted to get guidance from
    someone with experience. Any help would be enormously appreciated!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s