poshur ghumমানুষ হিসেবে দিনে আমাদের ৮ ঘণ্টা ঘুমানোর প্রয়োজন পড়ে।  হাতি, তিমিসহ নানা প্রাণীর ঘুমের সময় ও কায়দা কিন্তু বেশ বিস্ময়কর।  যেমন-
১. হাতি: হাতি ঘুমায় বড় কম। নতুন এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফ্রিকার দুই মাদী হাতি দিনে মাত্র ২ ঘণ্টা ঘুমায়।  কয়েকদিন তো তাদের একেবারেই ঘুমই হয়নি।  ফলে স্তন্যপায়ী প্রাণীদের মধ্যে কম ঘুমানোর ক্ষেত্রে তারাই রেকর্ড করেছে।  গবেষকদের মতে, পরিবারের সুরক্ষার চিন্তায় হাতিদের ঘুম কম হয়।
২. জিরাফ: হাতির মতো জিরাফও দিনেই ঝিমাতে ভালবাসে।  দিনে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা ঘুমায় জিরাফরা।  তবে মাটিতে শুয়ে মাত্র আধ ঘণ্টা ঘুম হয়।  গবেষকদের মতে, মানুষের মতো তাদেরও ঘুমের মধ্যে ‘ব?্যাপিড আই মুভমেন্ট’ পর্যায় রয়েছে।
৩. ঘোড়া: ঘোড়াদের দিনে সর্বোচ্চ ৫ ঘণ্টা ঘুমালেই চলে।  তারাও দাঁড়িয়ে ঘুমাতে ভালোবাসে।  তবে তার জন্য বেশি শক্তিক্ষয় হয় না।  পায়ে শিরা ও ধমনীর এক জটিল কাঠামোর দৌলতে এভাবে ঘুমানোর সময় তাদের পেশি কাজে লাগাতে হয় না।
৪. ডলফিন: ডলফিন বা শুশুক মস্তিষ্কের একটা অংশ ‘সুইচ অফ’ করে দেয়।  এটা না করলে তাদের ডুবে মরতে হতো, কারণ, প্রতি ৫ মিনিট অন্তর তাদের তাজা বাতাস নিতে সমুদ্রপৃষ্ঠে যেতে হয়।  ফুসফুসে জল যাতে না ঢোকে, সেই খেয়ালও রাখতে হয়।  দুই ঘণ্টা পর মস্তিষ্কের অন্য অংশের ঘুমানোর পালা।
৫. ব্লু শার্ক: ব্লু শার্ক গোত্রের হাঙরকে মৃত্যু এড়াতে সর্বক্ষণ গতিশীল থাকতে হয়।  কানকোর মধ্য দিয়ে জল না বয়ে গেলে তারা অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না।  অর্থাৎ জলের মধ্যে স্থির হলেই মৃত্যু অনিবার্য।  তাই সমুদ্রপৃষ্ঠে সাঁতার কাটতে কাটতে ঘুমের সময় তারা নীচে ডুব দেয়।  এমনটা চলতেই থাকে।  সমুদ্র-গবেষকরা এই প্রক্রিয়াকে ‘ইয়ো-ইয়ো ডাইভিং’ বলে থাকেন।
৬. সøথ: মানুষের জিম্মায় থাকার সময় স্লথ নামের বানরের মতো দেখতে স্তন্যপায়ী প্রাণী দিনে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায়।  পরিবেশভেদে তাদের ঘুমের প্রবণতা বদলে যায়।  জঙ্গলে থাকলে হামলা প্রতিহত করতে আর খাদ্য সংগ্রহে তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়।  তাই ঘুমের সময় কমে যায়। মানুষের জিম্মায় থাকার সময় স্লথ নামের বানরের মতো দেখতে স্তন্যপায়ী প্রাণী দিনে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত ঘুমায়।  পরিবেশভেদে তাদের ঘুমের প্রবণতা বদলে যায়।  জঙ্গলে থাকলে হামলা প্রতিহত করতে আর খাদ্য সংগ্রহে তাদের ব্যস্ত থাকতে হয়।  তাই ঘুমের সময় কমে যায়।

Advertisements