Ramadan, Romjanসৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ সোমবার রহমত-মাগফিরাত-নাজাতের সওগাত নিয়ে এসেছে মাহে রমজান। বাংলাদেশে সিয়াম-সাধনার সূচনা ঘটবে আগামীকাল রোববার থেকে শুরু হচ্ছে সিয়াম সাধনার মাস রমজান। শুক্রবার কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে রোববার (২৮ মে) থেকে পবিত্র মাহে রমজান শুরু হচ্ছে। আজ শনিবার দিবাগত রাতে সেহরি খেয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা রোজা রাখবেন। শনিবার এশার নামাজের পর প্রথম তারাবিহ নামাজ। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ-এর সম্মেলন কক্ষে চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক হয়। ধর্মমন্ত্রী অধ্যাপক মতিউর রহমানের এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে রোববার থেকে বাংলাদেশে রোজা শুরু হবে বলে জানানো হয়। ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রথম রোজার সেহরির শেষ সময় ৩টা ৪১ মিনিটে ও ইফতার সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে।
ইসলামের মূল ভিত্তি পাঁচটি বিষয়ের উপর। তন্মধ্যে রমজান মাসের রোজা হলো ইসলামের অন্যতম ভিত্তি বা বুনিয়াদ। এই বুনিয়াদকে কায়েম করা একজন মুসলমানের ওপর ফরজ বা আবশ্যকীয় করা হয়েছে। কোন মুসলমান বা ইসলামী আদর্শে বিশ্বাসী এই বুনিয়াদকে অস্বীকার করে সে কাফের বা অবিশ্বাসী বলে পরিগণিত হবে। দেশের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমান আজ ঈশা নামাজের পর দশ সালামে বিশ রাকাত তারাবিহ নামাজ আদায় করার মাধ্যমে পবিত্র রমজানের রোজা পালন শুরু করবে।
তারাবিতে একই পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান : জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে প্রতিবারের মতো এবারও পড়া হবে খতমে তারাবি। এ ক্ষেত্রে দেশের সব মসজিদে বায়তুল মোকাররমের পদ্ধতি অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে ইসলামি ফাউন্ডেশন। বলা হয়েছে, রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতম তারাবিতে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত না করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে কর্মজীবী যারা বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন, তাদের পক্ষে কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনে রমজানের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে, অর্থাৎ পবিত্র লাইলাতুল কদরে কোরআন খতম করা সম্ভব। এর আগে বিষয়টি নিয়ে দেশবরেণ্য আলেম, পীর-মাশায়েখ, খতিব-ইমামদের সঙ্গে আলোচনা হলে তারাও এ পদ্ধতিতে খতম তারাবি পড়ার পক্ষে অভিমত দিয়েছিলেন। সে মোতাবেক অধিকাংশ মসজিদে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এ পদ্ধতিতে তারাবির নামাজের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মসজিদের ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s